কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান সিন্দুকে এবার রেকর্ড ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা পাওয়া গেছে। ২ মাস ২৯ দিন পর শনিবার সকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এ টি এম ফরহাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে আটটি সিন্দুক খোলা হয়। টাকা ছাড়াও সিন্দুকে স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

সন্ধ্যায় রুপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় তিন মাস পর এবার পাগলা মসজিদের আটটি সিন্দুক খুলে মোট ১৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনার পরে টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২। গণনা শেষে টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।

মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকত উদ্দীন ভূঞা বলেন, এ এযাবৎকালের মধ্যে কম সময়ের ব্যবধানে এবার সবচেয়ে বেশি টাকা জমা পড়েছে। মসজিদ কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক মানের একটি ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণের যে প্রকল্প নিয়েছে, সেটা দ্রুত শুরু করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে ২ জুলাই পাগলা মসজিদের দান সিন্দুকে ১৬ বস্তায় মোট ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এ ছাড়া স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গিয়েছিল। গত বছরের তুলনায় এবার কম সময়ের ব্যবধানে দান সিন্দুক খোলা হয়।