ব্যবহার করার সময়ে অনেকেরই স্মার্টফোন গরম হয়ে যায়। সেই অবস্থায় ৩৫ থেকে ৪০ সেন্টিগ্রেড গরম হওয়াটা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ব্যবহার না করা অবস্থাতেও যদি এমন হয় তাহলে তা অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন।

এমনিতে একই স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় না। আর ফোন গরম হলে তার প্রভাব পড়ে যন্ত্রাংশে। যেসব কারণে এই সমস্যা হয় এবং তা সামাধানে কী করা প্রয়োজন তা সবার জেনে রাখা জরুরি।

১. ফোন চার্জে বসানোর সময়ে তাতে কোনও কাজ করবেন না। এতে ফোন গরম হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

২. ফোনের নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণেও অনেক সময় ফোন গরম হয়। নেটওয়ার্ক দুর্বল হলে, ফোন সারাক্ষণ ভালো নেটওয়ার্ক খোঁজে । এতে ফোনের প্রসেসর এবং ব্যাটারির উপর চাপ পড়ে। সেই কারণেই ফোন গরম হয়। এমন হলে যে এলাকায় যেই পরিষেবা প্রদানকারীর নেটওয়ার্ক ভালো, তাদের সিম কার্ড ব্যবহার করা উচিত।

৩. আপনি ফোনে কী কী কাজ করবেন? শুধু ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ, নেটমাধ্যমের ব্যবহার? না কি তার সঙ্গে সিনেমা দেখা, গান শোনা? গেমও খেলবেন? এই সব মাথায় রেখে ফোনের মডেল নির্বাচন করুন। যদি গেম খেলতে চান, তা হলে শক্তিশারী প্রসেসর সমৃদ্ধ ফোন কিনতে হবে। দুর্বল প্রসেসর ব্যবহার করা ফোন কিনলে তা দ্রুত গরম হবে। ফোন কেনার আগে এই বিষয়গুলি ভালো করে জেনে নিন।

৪. আপনার ফোনে কি এমন কোনও অ্যাপ রয়েছে, যেগুলি ফোন ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে? তাতেও ফোন গরম হয়। এমন অ্যাপ ফোন থেকে ডিলিট করলে ফোনের উপর চাপ কম পড়বে।

৫. অনেকেরই ফোনের ভিতরে হোয়াটসঅ্যাপ, ইমেলে আসা প্রচুর ছবি, ভিডিও থাকে। এতে ফোন গরম হতে পারে। যেগুলির প্রয়োজন নেই, সেগুলি ডিলিট করে দিন। তাতেও ফোন ঠান্ডা থাকবে।