ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

হেমন্তের পিঠা

হেমন্তের পিঠা

.

লেখা ও আঁকা রাকিকা শাহলা জাইমা

প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৩ | ২২:৩২

বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই বাংলা মাসের হিসাব রাখো। তাই এটাও জানো যে, এখন বাংলা বছরের দিনপঞ্জিকায় চলছে হেমন্তকাল। তা হেমন্ত মানেই নতুন ধান। নতুন ধান মানেই কৃষকের হাসি, গ্রাম্য বধূর কাজের ধুম, নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি পিঠাপায়েসের ম-ম গন্ধে ভরা উঠোন, পাড়া প্রতিবেশী সবাই মিলে নবান্ন উৎসবে মেতে ওঠা! তবে জানো, এসবই আমার কাছে শুধু বইয়ে পড়া গল্প। আমার নানুর কাছে শোনা তাঁর গ্রামের দিনগুলোর স্মৃতি।
নানু হরেক রকমের পিঠার নাম বলতেন। এই যেমন– ভাপা, পুলি, চিতই, দুধচিতই, পাটিসাপটা, মোরগসালসা, ছিতরুটি, সেমাইসহ আরো কতো কি! 
আমি মন খারাপ করে যখন নানুকে বলতাম, তোমাদের দিনগুলো অনেক মজার ছিলো। তোমরা কতো রকমের পিঠা সবাই মিলেমিশে আনন্দ করে খেতে। নানু বলতেন, আমিতো তোমাকে সেই দিনগুলো দেখাতে পারবো না, তবে পিঠা খাওয়াতে পারবো। এরপর নানু নিজ হাতে  বানাতেন হরেক রকমের পিঠা। নানুর বানানো মালপোয়া পিঠার স্বাদ আমি কোনোদিন ভুলবো না! 
সময়ের সাথে সাথে আমরা আধুনিক হবো এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে আমাদের এই পুরোনো ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে যাচ্ছে এটা ভাবতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এজন্য বলছিলাম কী, তোমরাও দাদু-নানুর কাছ থেকে এমন মজার গল্প শুনতে পারো তাদের শৈশবের। কেবল তাই নয়; তাদের বানানো পিঠাও খেতে পারো আয়েশ করে। আর ফড়িং মিয়াকে বলি, ফড়িং বন্ধুদের সেই পিঠে খাওয়ার লেখা তুমি ছেপে দিও ঘাসফড়িংয়ে–কেমন? 
বয়স : ১+২+২+৪+৪ বছর; সপ্তম শ্রেণি, এস ও এস হারম্যান মেইনার কলেজ, ঢাকা 

আরও পড়ুন

×