চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতেও রেড়েছে রেমিট্যান্স। গত মাসে প্রবাসীরা মোট ১৯৬ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই মাসের চেয়ে যা প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। 

অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। সরকারের ২ শতাংশ হারে প্রণোদনার পর থেকে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ফলে এমন হয়েছে। সোমবার দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২৯১ কোটি ডলারে।

করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর পর বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বেশিরভাগেরই ধারণা ছিল রেমিট্যান্স কমবে। পাশ্বর্বর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে কমেছেও। 

তবে বাংলাদেশসহ কিছু-কিছু দেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে। মূলত আগে অবৈধ চ্যানেলে যেসব অর্থ আসতো এখন তার বেশিরভাগই ব্যাংকিং চ্যানেলে আসায় এমন হয়েছে বলে সংশ্নিষ্টদের ধারণা। যদিও করোনার এসময়ে শ্রমিক যাওয়া একেবারে কমে যাওয়া, বিদেশে কর্মহীন হওয়া এবং কাজ হারিয়ে দেশে ফেরায় কতোদিন রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এ ধারা বজায় থাকবে তা নিয়ে অনেকের মধ্যে সংশয় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৪৯১ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল এক হাজার ১০৫ কোটি ডলার। ৭ মাসে বেড়েছে ৩৮৬ কোটি ডলার বা ৩৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। গত অর্থবছর রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

মন্তব্য করুন