টাঙ্গাইলে সেফটিক ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসের বিষক্রিয়ায় দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের দেওজান গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুইজন হলেন- দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের নরুন্দা গ্রামের  আব্দুল্লার ছেলে মাসুদ এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খাগজানা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে এলাহী।

দেলদুয়ার থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, নির্মাণাধীন বাড়িটির সেফটিক ট্যাংকে প্রচুর পানি জমেছিল। এছাড়াও ভেতরে অনেক বাঁশ ও কাঠের টুকরা ছিল। শনিবার সকাল ৯টার দিকে  ওই দুই নির্মাণ শ্রমিক সেফটিক ট্যাংকের পানি ও কাঠের টুকরা পরিস্কার করতে নিচে নামেন। এসময় বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে ভেতরেই তারা মারা যান।

ওসি আরও জানান, দীর্ঘসময় তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি উদ্ধার করে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের  সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী বলেন, দেওজান গ্রামের ফজলুল হকের নির্মাণাধীন বাড়ির সেফটিক ট্যাংক পরিস্কার করতে গিয়ে ওই দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন পনি জমে থাকার কারণে বিষাক্ত গ্যাসের সৃষ্টি হওয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সরওয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,ট্যাংকের ভেতরে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই ওই দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।