বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমলে দেশেও কমানো হবে। সম্প্রতি দাম কমতে শুরু করেছে। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশেও ভোজ্যতেলের দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। 

বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইলির সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ ও ডালে আমদানিনির্ভরতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়লে দেশে বেড়ে যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে কমলে দেশেও কমবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের বিশেষ কিছু করার নেই। সরকার সাধারণ মানুষের সহায়তার জন্য টিসিবির মাধ্যমে কম দামে বাজারে পণ্য সরবরাহ করতে পারে এবং তা করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দামও শিগগিরই কমবে। অল্পদিনের মধ্যে দেশে উৎপাদিত নতুন পেঁয়াজ আসবে।

প্রসঙ্গত, এ বছর কয়েক দফায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়। বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬০ টাকা। খোলা সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের দামও বাড়ানো হয়। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৩৬ টাকা ও পাম অয়েল ১১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে বাজারে নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দরে খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাজধানীর বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা আর পাম অয়েল প্রতি লিটার ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। অনানুষ্ঠানিকভাবে জিএসপি ও জিএসপি প্লাস নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি (রাষ্ট্রদূত) বলেছেন, জিএসপি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে। তিনি তার জায়গা থেকে বাংলাদেশকে সহায়তা করবেন। 

এ ছাড়া সামগ্রিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ নিয়েও কথা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত নতুন এসেছেন। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন।