পোশাক খাতের সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হবে। উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংকট সমাধানে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বাংলাদেশের গৌরবময় ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে বিজিএমইএ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ কথা বলেন।

রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে মঙ্গলবার রাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পোশাক খাতের গত ৪০ বছরের যাত্রায় বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে অবদান রাখা সংগঠনের সাবেক সভাপতিদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে। বাংলাদেশের ৫০ বছর এবং বিজিএমইএর ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংস্থার নিয়মিত প্রকাশনা দ্য অ্যাপারেল স্টোরির বিশেষ সংস্করণ 'লাল সবুজের বাংলাদেশ- গৌরবের ৫০ বছর' এর মোড়ক উন্মোচন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইটিও নাওকি, গবেষণা সংস্থা পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উর রহমান প্রমুখ।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআরের প্রতিনিধিদের নিয়ে খুব শিগগিরই বৈঠক হবে। পোশাক খাতের কী কী সমস্যা আছে, কোন মন্ত্রণালয়ের কী দায়িত্ব এবং কীভাবে সমস্যা সমাধান করা যায় সেসব বিষয়ে সবিস্তারে আলোচনা হবে। তারপর সবার মতামত এবং পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এনবিআর সহযোগিতা করলে পোশাক খাতের ৬০ শতাংশ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগ করেন তিনি। অন্য বক্তারা বলেন, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি আয়ে বড় অবদান সত্ত্বেও কার্যক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কাছে নূ্যনতম সম্মানটুকু পান না উদ্যোক্তারা।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতির পিতার স্বপ্ন এবং তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দরিদ্রতম দেশ থেকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।