দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চিঠি আদান-প্রদানের পর অবশেষে সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত এলাকাকে পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেছে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শ্যামলী নবী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প ও সেবা খাতে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে এবং পর্যটন সম্ভাবনাময় এলাকায় অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ অথবা অন্য কোনো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা ও বিশেষ পর্যটন অঞ্চল আইন, ২০১০-এর (৪) ধারা ক্ষমতাবলে গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত এলাকাকে সরকারি স্বীকৃতি ঘোষণা করা হলো। এ জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে এক নম্বর খাস খতিয়ানের ২৫৯.১০ একর জায়গা।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন সমকালকে বলেন, ইতোমধ্যে গুলিয়াখালী বিচ এলাকায় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে ওয়াশ ব্লকের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বিচে যাওয়ার রাস্তা বাড়ানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি গুলিয়াখালী সৈকতের অনিন্দ্য সৌন্দর্যের কারণে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের গুলিয়াখালী সৈকতে যাওয়া যায়। সেখানে বেড়িবাঁধের ওপর দাঁড়াতেই চোখ পড়ে কেওড়া বনের ওপর মায়াবী আকাশ। বেড়িবাঁধ পেরিয়ে কাদামাটির ওপর দিয়ে কিছুটা পথ হেঁটে গেলে কানে ভেসে আসে সমুদ্রের গর্জন। সৈকতে যাওয়ার আগে কেওড়া বনে দেখা মেলে ঘাসের আর সবুজের মাঝে ছোট ছোট খাদের।