রেলের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম পণ্য পরিবহন। চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তেল রেলের মাধ্যমে গুডস পোর্ট ইয়ার্ড-সিজিপিওয়াই থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করা হয়। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আসে বলে সিজিপিওয়াইকে রেলের 'হৃৎপিণ্ড' বলা হয়। কিন্তু 'সংরক্ষিত' এই ইয়ার্ড লুটপাটের বড় ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে সিজিপিওয়াই। এর ভেতরেই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কয়েকটি গরুর খামার। পরিত্যক্ত রেললাইন ধরে ইয়ার্ডে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে একটি বস্তি। ৪০ থেকে ৪৫টি ঝুপড়ি ঘর নিয়ে গড়ে উঠা বস্তিটি 'একতা বস্তি' নামে পরিচিত। কথা বলে জানা গেল, শাহীন মৃধা স্যারের থেকে জায়গা ভাড়া নিয়ে ঘর করা হয়েছে। ভাড়া বছরে পাঁচ হাজার টাকা। পরে জানা যায়, এই শাহীন মৃধা ইয়ার্ডে পোস্টিং হাবিলদারের দায়িত্বে রয়েছেন। ইয়ার্ডে তিনি 'ক্যাশিয়ার' হিসেবে পরিচিত।

শাহীন মৃধা বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে।'

সিজিপিওয়াইর ৮ ও ৯ নম্বর বিট এলাকায় গিয়ে যতদূর চোখ যায় শুধুই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির ক্ষেত। ইয়ার্ডে ২০ থেকে ৩০ শতকের প্লট তৈরি করে শত শত প্লট ভাড়া দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্লট দুই হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এখানে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে একটি তেল চোর চক্র।

রেলের পূর্বাঞ্চলের জি এম জাহাঙ্গীর হোসেন সমকালকে বলেন, সিজিপিওয়াই রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।