স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পরেও যেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকে সেজন্য বাংলাদেশের পাশে থাকবে কমনওয়েলথ।

এফবিসিসিআইর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে এ কথা জানিয়েছেন কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের বাণিজ্যিক সংগঠন কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের (সিডব্লিউইআইসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সামান্থা কোহেন। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় এ কথা জানান তিনি।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল হয়েছে। কিন্তু এখনও বৈশ্বিক উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে জানেন না। তাই এফবিসিসিআই সরকারের 'ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ' উদ্যোগের প্রচারের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর বেসরকারি খাতের সাথে সংযোগ স্থাপনে আগ্রহী।’

এ সময় সামান্থা কোহেন জানান, এ বছরের শেষদিকে কমনওয়েলথের একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। ওই সফরে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের একটি বিটুবি সভা ও কারখানা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কমনওয়েলথের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাবে বলে তিনে মনে করেন।

কমনওয়েলথকে ব্যবহার করে বাংলাদেশ কিভাবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে, বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়। 

কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো, বাজার অন্বেষণ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং উদ্ভাবন সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তরসহ অবকাঠামোতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং দেশের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

সিডব্লিউইআইসির সিইও বলেন, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় দেশগুলোর মূলধারার বাজারে বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশের বিষয়ে সহায়তা করা হবে।

এফবিসিসিআই কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের কৌশলগত অংশীদার। একই সঙ্গে মো. জসিম উদ্দিন সংগঠনটির সিডব্লিউইআইসির উপদেষ্টা বোর্ডের একজন সদস্য।