ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডকে (ইউবিএল) ২০২২ সালে বাংলাদেশের 'দ্য গ্লোবাল বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে 'ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস'।

মঙ্গলবার ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত 'দ্য ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস'-এর ৩০তম আসরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন ইউনিলিভারের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাকসী হান্ডা।

স্বাধীনভাবে পরিচালিত একটি গবেষণার মাধ্যমে ইউনিলিভার বাংলাদেশকে জাতীয় পর্যায়ে 'দ্য বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড' হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। এই অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তি ইউনিলিভারের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের সমন্বয়, ব্যবসার সঙ্গে মানব-সম্পদের (এইচআর) একীভূতকরণ, প্রতিষ্ঠানটিকে ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত করে তোলায় দক্ষতা-বৃদ্ধিসহ অনুসরণীয় বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি। পুরো গবেষণাটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন অন্তর্দিশা'র প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডক্টর ইন্দিরা পারিখ। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুরস্কার হাতে সাকসী হান্ডা

'দ্য গ্লোবাল বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২২' সারাবিশ্বের এমন কিছু শীর্ষ প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে যারা মানবসম্পদ এর উন্নয়নে মার্কেটিং কমিউনিকেশন এর কার্যকর ব্যবহার এবং মানবসম্পদ খাতে অনুসরণীয় অবদান রেখেছে।

এ অর্জন সম্পর্কে ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আখতার বলেন, 'দেশ ও সমাজের কল্যাণার্থে আমাদের লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ-বান্ধব একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় আমাদের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেছে 'দ্য গ্লোবাল বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড' প্রাপ্তির মাধ্যমে। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড কৌশলগুলোতে নতুনত্ব আনার মাধ্যমে ইউনিলিভার বাংলাদেশ মার্কেট লিডার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রেখেছে। এভাবে ইউবিএল ধারাবাহিকভাবে নিজেকে সব সেক্টরের 'দ্য টপ এমপ্লয়ার চয়েস' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে'।

ইউবিএলের হিউম্যান রিসোর্স ডিরেক্টর সাকসী হান্ডা বলেন, "মর্যাদাপূর্ণ 'ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেস'-এ 'দ্য গ্লোবাল বেস্ট এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড' এর স্বীকৃতি পেয়ে ইউনিলিভার বাংলাদেশ বেশ গর্বিত। এ পুরস্কার ভবিষ্যত নেতৃবৃন্দের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের ক্ষমতায়নের পথ চলাকে অনুপ্রাণিত করবে।

এ সম্মাননার ফলে আগামী এক বছর ইউবিএল 'দ্য এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড' লোগো সকল মার্কেটিং কমিউনিকেশনে ব্যবহার করতে পারবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ, ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট, বার্ষিক প্রতিবেদন, বিজনেস প্রেজেন্টেশন এর জন্য অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ (ইন্টার্নাল কমিউনিকেশন) এবং বিজ্ঞাপনসহ তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে বাহ্যিক যোগাযোগে (এপটার্নাল কমিউনিকেশন) ব্যবহার করা যাবে এ লোগো।