আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রস্তাবিত আকার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের এ প্রস্তাব আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদে (এনইসি) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এনইসি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

এডিপির প্রস্তাবিত আকার চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির তুলনায় ২০ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছর এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। আবার চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির চেয়ে প্রস্তাবিত ৩৮ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা বেশি। সংশোধনের পর চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এডিপিতে বিদেশি সহায়তার পরিমাণ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় যা মাত্র ২২৫ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বিদেশি সহায়তার পরিমাণ ধরা হয় ৯২ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। অবশ্য সংশোধিত এডিপিতে এ আকার ৭০ হাজার ২৫০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী সমকালকে বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আগামী অর্থবছরের এডিপির আকার এবং বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে চলতি এবং অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাত বরাবরের মতো গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে। অন্যান্য প্রকল্পের ক্ষেত্রে উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন অগ্রাধিকারভিত্তিক শ্রেণীকরণ নীতিমালা আছে সরকারের। তার ভিত্তিতে বাকি প্রকল্পের বরাদ্দ বিবেচনা করা হয়েছে।