চলতি মৌসুমে দেশে কাঁচাপাটের বাজার সন্তোষজনক হলেও দাম যেন অসহনীয় পর্যায়ে চলে না যায় সেজন্য সর্বদা কাঁচাপাটের বাজার পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

তিনি বলেন, ‘এ বছর পাট মৌসুম শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচাপাট  বাজারে আসতে শুরু করেছে। এ মৌসুমে কাঁচাপাটের উৎপাদনও সন্তোষজনক। পাট চাষিগণ ভালো পাটের ভালো দাম পাবেন। কোনো কারণে যেন কাঁচাপাটের দাম অসহনীয় না হয় সেজন্য সর্বদা কাঁচাপাটের বাজার পর্যবেক্ষণ করা হবে।’ 

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন-বিজেএর একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

এ সময় বস্ত্র ও পাট  মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পাট) তসলিম কানিজ নাহিদা, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএ) সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরজু মিয়াসহ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, পাট চাষ নিশ্চিতকরণে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখার পাশাপাশি কৃষককে অন্যান্য উপকরণ সহায়তার কারণে সম্প্রতিক বছরগুলোতে পাটের উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলশ্রুতিতে পাটকলসমূহ  নিরবচ্ছিন্নভাবে পাট সংগ্রহ করতে পারছে যা রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ।

তিনি বলেন, পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কাঁচাপাটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে  কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এজন্য লাইসেন্স বিহীন অসাধু ব্যবসায়ীদের কাঁচাপাট ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ হতে বিরত রাখা; ভিজাপাট ক্রয়-বিক্রয় রোধ করা; বাজারে কাঁচাপাটের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পাট অধিদপ্তরকে নির্দে দেওয়া হয়েছে।

এসময় রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এ শর্ত সাপেক্ষে রপ্তানি পণ্য তালিকায় কাঁচাপাট অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।