বাজারে হঠাৎ বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। গত এক সপ্তাহে পণ্যটির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। 

এমন পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পরামর্শ দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণায়কে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার সংস্থাটির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি আপাতত বন্ধ রেখেছে। আমদানির অনুমতি দেওয়া যায় কী না তা পর্যালোচনা করা হবে। তবে অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি মূলত নির্ভর করবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপর।

ভোক্তা অধিদপ্তরের ওই চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকিতে দেখা গেছে, ঢাকার শ্যামবাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই সময়ে পাবনা এবং ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন মোকামে প্রতি মণ পেঁয়াজ এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসাবে মোকামে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দর পড়ছে সাড়ে ৩৭ থেকে ৪০ টাকা।

এতে আরও বলা হয়, এ বছর কৃষকদের প্রতি কেজি পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যয় হয় ২০ থেকে ২২ টাকা। দেশে এ বছর পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন ও মজুত রয়েছে। তারপরও আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল ও অনিয়ন্ত্রিত করার অপচেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আগের বছরগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে বাজার নিয়ন্ত্রণে অনতিবিলম্বে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।