বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে বেসরকারিভাবে আরও আড়াই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। ১২৫ প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে এই চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাল আমদানির এই অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ দফায় দুই লাখ ৪৬ হাজার টন চাল আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে দুই লাখ চার হাজার টন নন-বাসমতী সেদ্ধ চাল এবং ৪২ হাজার টন আতপ চাল আমদানি করা যাবে।

এসব চাল আমদানির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে খাদ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, চাল আমদানির জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে এলসি খুলতে হবে এবং তা খাদ্য মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিক অবহিত করতে হবে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে কেউ এলসি খুলতে ব্যর্থ হলে তার বরাদ্দের আদেশ বাতিল হয়ে যাবে।

আমদানি করা সব চাল ১৭ আগস্টের মধ্যে বাজারজাত করার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, চালের আমদানি, গুদামজাত এবং বাজারজাতকরণের সার্বিক তথ্য জানাতে হবে মন্ত্রণালয়কে। কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত বরাদ্দের বেশি আমদানি করতে পারবেন না। এসব চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নামে পুনরায় প্যাকেটজাত করা যাবে না। যেভাবে বস্তা অবস্থায় আমদানি করা হবে, সেভাবেই বিক্রি করতে হবে।

এর আগে ৩০ জুন ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে চার লাখ নয় হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এ দুই দফায় মোট ছয় লাখ ৫৫ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়।

এ বছর ধানের ভরা মৌসুমেও চালের বাজারে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। এ কারণে সরকার চাল আমদানির উদ্যোগ নেয়। এ ছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানিতে শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।