থাইল্যান্ডের গুহায় যেভাবে চলছে উদ্ধার অভিযান

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৮     আপডেট: ০৯ জুলাই ২০১৮      

অনলাইন ডেস্ক

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ উদ্ধারে শুরু হওয়া অভিযানে প্রথম দিনে চারজনকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় দফায় আজ সোমবার ফের অভিযান শুরু হবে।

ভারী বৃষ্টির পর গুহার ভেতর পানির উচ্চতা আরও বেড়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় রোববারই এই উদ্ধার অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গুহার ভেতর কীভাবে চলছে অভিযান বিবিসি বাংলা অবলম্বনে এখানে তুলে ধরা হলো। 

গুহার ভেতর যা ঘটছে:

যে গুহার ভেতর এই অভিযান চলছে, সেই গুহামুখ ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরে গণমাধ্যম এবং উদ্ধার কর্মীদের বিরাট জটলা তৈরি হয়েছে। রোববার সকালে সাংবাদিকদের সেখান থেকে সরে যেতে বলা হয়। তখনই জল্পনা শুরু হয় যে হয়তো শিগগিরই উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।

এরপর উদ্ধার অভিযান দলের প্রধান নারোংসাক ওসেতানাকর্ন ঘোষণা করেন যে, কিশোরদের উদ্ধারের জন্য ১৮ জন ডুবুরিকে ভেতরে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানিয়েছিলেন, ডাক্তাররা পরীক্ষা করে সব ছেলেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে এই অভিযানের জন্য প্রস্তুত বলে মত দিয়েছেন। আটকে পড়া ছেলেদের পরিবারের তরফ থেকেও সম্মতি পাওয়া গেছে।

যেভাবে কিশোরদের বাইরে আনা হচ্ছে:

গুহার যে জায়গায় এই ছেলেরা আটকে পড়েছে, সেখানে যাওয়া এবং সেখান থেকে আবার গুহামুখ পর্যন্ত ফিরে আসতে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডুবুরিরও প্রায় এগারো ঘণ্টা সময় লাগছে।

এর মধ্যে কিছুটা পথ হাঁটতে হয়, কিছুটা পথ পানির ভেতর দিয়ে হেঁটে আগাতে হয়। অনেক চড়াই-উতরাই আছে। আর অনেক জায়গা পানিতে ডুবে আছে। সেখানে ডুব সাঁতার ছাড়া উপায় নেই। আর এই পুরো যাত্রাটাই ঘুটঘুটে অন্ধকারে।

প্রত্যেক ছেলেকে পুরো মুখ ঢাকা অক্সিজেন মাস্ক পড়তে হচ্ছে। প্রতিজনের সামনে এবং পেছনে দুজন ডুবুরি থাকছে গাইড হিসেবে। এরা তাদের এয়ার সিলিন্ডারও বহন করছে।

সবচেয়ে কঠিন অংশটা মাঝামাঝি জায়গায়। এটিকে একটা টি-জাংশন বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এই জায়গাটা এতটাই সরু যে সেখানে ডুবুরিদের তাদের এয়ার ট্যাংক খুলে ফেলতে হচ্ছে।

এরপর ক্ষণিকের যাত্রাবিরতির জন্য গুহার মধ্যে একটা ক্যাম্প মতো করা হয়েছে। সেখান থেকে বাকিটা পথ পায়ে হেঁটে তাদের গুহামুখে আসতে হচ্ছে। বেরিয়ে আসার পর তাদের সরাসরি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে।

আরও পড়ুন

ডাকসু না হওয়ায় নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না

ডাকসু না হওয়ায় নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না

 ডাকসু ভিপি ১৯৬৩-৬৪ জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্য, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, রাজনৈতিক কর্মী ও নেতৃত্ব ...

সব আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্র ছিল ডাকসু

সব আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্র ছিল ডাকসু

ডাকসু ভিপি ১৯৭০-৭১ আজকের এই স্মৃতিচারণ আমার ব্যক্তিগত কৃতিত্ব জাহির করার ...

আগে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে

আগে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে

 ডাকসু ভিপি ১৯৭৯-৮০ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবস্থা তাতে ডাকসু নির্বাচন ...

উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর

উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা আলোচিত শাহনাজ ...

গণধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলায় চরজব্বার থানার ওসিকে প্রত্যাহার

গণধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলায় চরজব্বার থানার ওসিকে প্রত্যাহার

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় দায়িত্ব পালনে অবহেলার ...

২৮ বছর পর 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' স্বপ্ন ডানা মেলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

২৮ বছর পর 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' স্বপ্ন ডানা মেলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

টানা ২৮ বছর পর দেশের 'দ্বিতীয় পার্লামেন্ট' হিসেবে খ্যাত 'ঢাকা ...

শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়

শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়

গুলশান-বারিধারা লেকের দূষণ রোধে ৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছিল ঢাকা ...

সব আপসকামিতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে সরকারকে

সব আপসকামিতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে সরকারকে

মানবাধিকার আন্দোলনের নেত্রী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, সরকার আন্তরিক হলে ...