কর্ণাটকে সরকার বাঁচাতে দফায়-দফায় বৈঠক কংগ্রেস-জেডিএসের

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

কর্ণাটকে ধর্মনিরপেক্ষ জনতা দল (জেডিএস) ও কংগ্রেসের মোট ১১ জন বিধায়ক শনিবার পদত্যাগ করেছেন। রাজ্যটিতে সরকার বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেছেন জোটের অন্য নেতারা। খবর জি নিউজের।

রোববার সকালে জেডিএস-এর প্রধান এইচডি দেবেগৌড়ার বাসভবনে গিয়ে কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার-সহ অন্য নেতারা বৈঠক করেন। 

মল্লিকার্জুন খাড়গে ও সিদ্দারামাইয়ারা সাংবাদিকদের বলেন, সরকারকে ব্যর্থ করতে বিজেপি ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তাদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে। 

এখন পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাক আছে বলে দাবি করেছেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার।

শনিবার কংগ্রেস-জেডিএস-এর জোট সরকারের ১১ বিধায়ক স্পিকারের কাছে গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে কংগ্রেসের আট ও জেডিএস-এর তিন বিধায়ক রয়েছেন। 

কংগ্রেসের অভিযোগ, এই মুহূর্তে এই বিধায়কদের মুম্বইয়ের একটি হোটেলে আটকে রেখেছে বিজেপি। তবে, সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। 

কর্ণাটকের বিজেপি প্রধান বি এস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, কুমারস্বামী বা সিদ্দারামাইয়া কী বলবেন তা বলতে পারবো না। এই ঘটনায় আমরা কোনওভাবে জড়িত নই। যা ঘটছে শুধু দেখে যান।

সিদ্দারামাইয়া বলেন, ৫-৬ বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এ বিষয়ে বেশি আর কিছু বলবো না। প্রত্যেকেই দলের অনুগত। 

কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে জানান, ১২ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা ছবি স্পষ্ট হবে। ওইদিনই বসবে বিধানসভার অধিবেশন।

উল্লেখ্য, ২২৪ বিধানসভা আসনে কংগ্রেস ও জেডিএস-এর আসন ছিল ১১৮। গত সোমবার দুই বিধায়ক ইস্তফা দেন। আর শনিবার ১১ বিধায়কের ইস্তফা গৃহীত হলে মোট ১৩ বিধায়ক ইস্তফা দেবেন। তখন জোট সরকারের মোট বিধায়ক দাঁড়াবে ১০৫। বিজেপির হাতেও রয়েছে ১০৫ বিধায়ক। ২২৪ আসনের ম্যাজিক ফিগার ১১৩ থেকে কমে তখন দাঁড়াবে ১০৬। তখন কংগ্রেস ও জেডিএসের সরকারে থাকা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।