পাঁচ ভাইবোনকে একসঙ্গে দত্তক নিলেন সিঙ্গেল ফাদার

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

নিউইয়র্কের বাফেলোর অধিবাসী ল্যামন্ট টমাসের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০০১ সালে। তখন তার দুই সন্তানও চলে যায় মায়ের সঙ্গে। ল্যামন্ট একা হয়ে পড়েন। ঠিক তখনই ৪৮ বছর বয়সী এ ব্যক্তি মাইকেল পিরাজ নামের এক শিশুকে নিয়ে আসেন লালনপালনের জন্য।

ল্যামন্ট জানান, মাইকেল খুবই ভালো একটা ছেলে ছিল। তিনি তাকে কখনোই প্রথাগত নিয়মকানুনের মধ্যে বড় করতে চাননি। নিজের মতো করেই তিনি লালন-পালন করেন তাকে। পরে মাইকেলকে তিনি দত্তক নেন। সেই মাইকেল এখন নার্স হিসেবে কাজ করছে।

মাইকেল জানান, ল্যামেন্ট তাকে যে নৈতিক শিক্ষা দিয়েছেন তার জেরেই এখন তিনি সমাজে একটা পর্যায়ে পৌঁছতে পেরেছেন। নিজের পরিবারও গড়ে তুলতে পেরেছেন। 

মাইকেলকে দিয়েই ল্যামেন্টের সন্তান পালনপালনের কাজ শুরু হয়। এরপর একে একে তিনি ৩০ জন শিশুর পালক বাবা হিসেবে তাদের বড় করেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে তিনি দত্তক নেন।ল্যামেন্ট জানান, এ কাজটি তিনি হৃদয় দিয়ে করেন। প্রতিটি ছেলেমেয়েকে প্রথাগত নিয়মের বাইরে নিজস্ব ভাবনায় বেড়ে উঠতে তিনি সাহায্য করেন।

অনেকদিন ধরেই ল্যামন্ট শিশুদের অভিভাবকত্ব নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তবে কিছুদিন আগে আবারও একসঙ্গে পাঁচ ভাইবোনকে দত্তক নিয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন তিনি। এদের প্রত্যেকের বয়স ৬ বছরের নিচে।    

ল্যামন্ট জানান, যখনই তিনি জানতে পেরেছেন এ পাঁচ ভাইবোনকে আলাদাভাবে দত্তক দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে তখন তিনি তাদের একসঙ্গে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। 

ল্যামন্ট বলেন, ‘তাদের একসঙ্গে বেড়ে ওঠা দরকার।এ কারণে আমি তাদেরকে সাহায্য করতে চেয়েছি।’

মহতী এ উদ্যোগের জন্য অনেকের কাছেই ল্যামন্ট একটি প্রিয় নাম। স্থানীয় গির্জা কর্তৃপক্ষ এবং বন্ধুবান্ধবরাও তাকে সহযোগিতা করেন এ কাজের জন্য। সূত্র : সিবিএস নিউজ