এই তিন প্রেসিডেন্ট কেন করোনাভাইরাসকে পাত্তা দিচ্ছেন না

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২০     আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

গত ১৫ মার্চ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো প্রকাশ্যে তার সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন-এএফপি

গত ১৫ মার্চ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো প্রকাশ্যে তার সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন-এএফপি

পুরো বিশ্ব কাঁপছে করোনা আতঙ্কে। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৯৭টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই মরণব্যাধী। পৃথিবীর সব দেশের সরকারই করোনাকে প্রধান গুরুত্ব দিয়ে এটি ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তবে যেন ব্যতিক্রম ব্রাজিল, মেক্সিকো ও নিকারাগুয়ার দেশের প্রেসিডেন্টরা। তারা করোনাকে একদম পাত্তাই দিচ্ছেন না। অন্যান্য দেশে যেখানে তাদের নাগরিকদের ঘরে থাকতে বলছে সেখানে তারা উল্টো তাদের নাগরিকদের কাজ করে যেতে বলছেন। খবর সিএনএনের

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো করোনাকে খুবই সামান্য ভাইরাস বলে অভিহিতি করেন। তিনি বলেন, ব্রাজিলিয়ানদের এই ভাইরাসে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। মিডিয়া এটিকে বড় ভাইরাস বানাচ্ছে। 

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস মানুয়াল লোপেজ করোনাভাইরাসের আশংকা সত্ত্বেও তাদের নাগরিকদের খাবার খেতে ঘরের বাইরে যেতে বলেছেন। 

নিকারাগুয়ার সরকারপ্রধান ড্যানিয়েল অর্টেগা, এই সংকটের মধ্যেও সব ধরনের রাজনৈতিক মিছিল ও সমাবেশ চালিয়ে যেতে বলেছেন। 

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রেস প্রথমদিকে তাদের নাগরিকদের কোলাকুলি করতে নিষেধ করেন। পরে তিনি এক বার্তায় বলেন, এটি একটি ভুল ধারণা। সবার অবশ্যই কোলাকুলি করা উচিত। 

গত ১২ মার্চ যখন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো করোনা পজিটিভ হন তখন অনেকে মনে করেছিলেন যে এবার অন্তত তিনি করোনাকে ভয় পাবেন। কিন্তু এর কয়েকদিন পরই এক টেলিভিশন ভাষণে করোনাকে ক্ষুদ্র ভাইরাস বলে অভিহিত করেন। 

পশ্চিমের দরিদ্রতম দেশ নিকারাগুয়া যেকোনো প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত দুজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে সেখানে সবচেয়ে ভয়ের কারণ দেশটির প্রেসিডেন্ট, যাকে কয়েক সপ্তাহে জনসম্মুখে দেখা যায়নি। সেখানকার নাগরিকদের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।