ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বুধবার পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৮৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬৪০ জনে।

এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এত মৃত্যু ও আক্রান্তের পরও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি সুখবর দিয়েছে। তা হলো- করোনায় আক্রান্তদের সুস্থ হওয়ার হার বাড়ছে। বুধবার সকালে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৩৬ শতাংশে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৬১৮ জন করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এমন অবস্থায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও কিছু ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করেছে। কৃষি খাতে লকডাউন আরও শিথিল করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের দোকান ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীর দোকান খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ মঙ্গলবার রাজ্যগুলোর কর্তৃপক্ষকে চীন থেকে আনা র‌্যাপিড টেস্টিং কীট দিয়ে করোনার পরীক্ষা স্থগিত করতে বলেছে। সম্প্রতি তিনটি রাজ্য চীনের এসব কীটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর এমন আদেশ এলো। তবে চীন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, র‌্যাপিড কীটে সবসময় শতভাগ নিশ্চিত ফল নাও আসতে পারে।

এদিকে চেন্নাইয়ে একটি টিভি চ্যানেলের ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও রয়েছেন।