করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফল অর্ধেক ক্ষেত্রেই ভুল আসছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)। এ বিষয়টি উল্লেখ করে নিজস্ব ওয়েবসাইটে একটি নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সিডিসি। বুধবার সিএনএন অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিডিসি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফলাফল যথেষ্ট সঠিক নয়। স্কুল, ছাত্রাবাস বা জনসমাগম হয়- এমন স্থাপনা খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে হলে অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া উচিত হবে না। মানুষকে কাজে ফেরানোর ক্ষেত্রেও এ ধরনের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত।

সিডিসির নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য কর্মীদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফল আরও নিখুঁত হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তাদের দু’বার পরীক্ষা করা যেতে পারে।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় দেখা হয় কারও শরীরে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা। একই সঙ্গে দেখা হয় কারও শরীরে এই ভাইরাস প্রতিরোধী ক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) তৈরি হয়েছে কিনা। একটি যন্ত্রের মধ্যে এক ফোঁটা রক্ত নিয়ে এ পরীক্ষা করা হয়। এর ফল জানা যায় কয়েক মিনিটের মধ্যে। এক ফোঁটা রক্ত যন্ত্রে থাকা একটি তরল রাসায়নিকের সঙ্গে মেশানো হয় এবং এই পরীক্ষা বলে দেয় যে, কারও শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি আছে কিনা।

সিডিসি জানিয়েছে, মহামারির চরম প্রাদুর্ভাব হয়েছে- এমন সব দেশের জনগণের মধ্যেও করোনাভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে খুবই কম। এ হার ক্ষেত্র বিশেষে ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। এত কম সংখ্যক মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ায় পরীক্ষার ফলাফলে ভুল বেশি আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়।