করোনাকালে ইউরোপ ভ্রমণের অনুমতি পেল ১৪ দেশ

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২০     আপডেট: ৩০ জুন ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

করোনাকালে 'নিরাপদ' বিবেচিত ১৪টি দেশের নাগরিকদের ১ জুলাই থেকে ইউরোপে ভ্রমণের অনুমতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ তালিকা থেকে আপাতত বাদ পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, রাশিয়া ও চীনা নাগরিকরা। তালিকায় নেই ভারত-বাংলাদেশও। এদিকে ব্রেক্সিট এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় ব্রিটেনের নাগরিকরা এক্ষেত্রে ইইউ নাগরিকদের মতোই বিবেচিত হবেন। তাদের জন্য এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। খবর বিবিসির। 

ইইউ'র করোনাকালীন সীমান্ত কড়াকড়ি ইউরোপের নাগরিকদের জন্য এরই মধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে। এরপরই ইইউ'র এ ঘোষণা এলো।

এ তালিকায় রয়েছে- অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, মরক্কো, দক্ষিণ কোরিয়া, আলজেরিয়া, জর্জিয়া, মন্টেনিগ্রো, নিউজিল্যান্ড, রুয়ান্ডা, সার্বিয়া, থাইল্যান্ড, তিউনিসিয়া ও উরুগুয়ে। 

ইইউ'র এ নিরাপদ দেশের তালিকা এরই মধ্যে অনুমোদন করেছে জোটটির বেশিরভাগ সদস্যরাষ্ট্র। অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ দেশ, যাদের জনসংখ্যা ইউরোপের ৬৫ শতাংশের মতো, তারা এ তালিকা অনুমোদন দিয়ে স্বাক্ষর করেছে। তবে দ্বিধান্বিত আছে স্পেন, গ্রিস ও পর্তুগালসহ কিছু সদস্যদেশ। স্পেন যদিও নিজেদের পর্যটন শিল্প আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে চায়, কিন্তু করোনায় ভয়াবহতার শিকার হওয়ায় তারা স্বাস্থ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে চায়। এ কারণেই স্পেনসহ কিছু দেশ নতুন সিদ্ধান্তে এখনো দ্বিধান্বিত। তবে মঙ্গলবার তারাও সিদ্ধান্ত জানাবে। 

ইইউ কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, নিরাপদ দেশের নতুন এ তালিকায় আরও পরিবর্তন আসতে পারে। ইইউ এই তালিকায় চীনকে অন্তর্ভুক্ত করবে, যদি চীন সরকারও একইভাবে ইউরোপিয় পর্যটকদের ওপর থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়। 

এদিকে ব্রিটিশ পর্যটকদের জন্য ব্রেক্সিট চুক্তির আলোচনার অধীনে নতুন নিয়ম করা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর ব্রেক্সিট হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বাসিন্দারা ইউরোপের নাগরিকের সমান মর্যাদাই পাবেন। এ কারণে সাময়িক এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন না ব্রিটিশ নাগরিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া যুক্তরাজ্য কয়েকটি ইউরোপিয় দেশের সঙ্গে 'এয়ার ব্রিজ' পদ্ধতি আয়োজনের চেষ্টা করছে। যাতে ব্রিটিশ নাগরিকরা ইউরোপের কোনো দেশে গেলে তাকে ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে না হয়।