নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যার রায় আগামী মাসেই। বৃহস্পতিবার দেশটির বিচারপতি ক্যামেরন ম্যান্ডার একথা জানান। গত বছরের ১৫ মার্চ সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের রায় করোনাভাইরাসের কারণে দিতে কিছুটা দেরি হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে নৃশংস হামলা চালিয়ে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায় অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। হত্যার দায়ও স্বীকার করেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

বিচারপতি ক্যামেরন ম্যান্ডার ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ আগস্ট রায় ঘোষণা করা হবে। নিউজিল্যান্ডের বাইরে অবস্থানরত ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের লোকজন চাইলে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রায় ঘোষণার সময় যুক্ত থাকতে পারবেন।

বিচারপতি ম্যান্ডার বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন নিউজিল্যান্ডে আসতে না পারায় রায় ঘোষণার দিন ধার্যে বিলম্ব হয়। করোনার কারণে শুধু নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের দেশে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। নিউজিল্যান্ডের ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের সীমিত পরিসরে প্রবেশের অনুমতির অপেক্ষায় ছিলাম। 

এছাড়া সে সময় যারা শুনানিতে অংশ নিতে পারছিলেন, তাদের আগ্রহের বিষয়টিও বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানান এই বিচারপতি।

ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যাযজ্ঞ চালায় ব্রেন্টন। হামলার সময় ফেসবুক লাইভে আসে। ১৭ মিনিট ধরে ওই হামলার লাইভ ভিডিও প্রচারিত হয়। মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকে। এ হামলায় ৫১ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হন।