টিকার সুখবর আসছে

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২০     আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২০       প্রিন্ট সংস্করণ

রাসেল পারভেজ

বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে টিকা উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা আশার বার্তা দিচ্ছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানবদেহে রক্ষাব্যুহ তৈরি করতে সক্ষম অন্তত চারটি টিকা ট্রায়ালের তৃতীয় বা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন দেশে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে আছে কমপক্ষে ১৭৬টি টিকা। বাংলাদেশেও টিকা তৈরির একটি উদ্যোগ এগিয়ে চলেছে। সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানা না গেলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এক বা একাধিক সফল টিকা মানুষের হাতে পৌঁছানোর সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ জন্য কয়েক মাস বা তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বলেছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ তারা টিকা বাজারে ছাড়তে পারবে। করোনার বিরুদ্ধে যে টিকাই সফল হোক না, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শর্তানুযায়ী প্রথমেই সেটি পেয়ে যাবে বাংলাদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বজুড়ে ১৬৬টি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ১৭৬টি সম্ভাব্য টিকা তৈরির প্রচেষ্টাকে নথিভুক্ত করেছে। সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ খসড়া তালিকা অনুযায়ী, মানবদেহে ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩৪টি সম্ভাব্য টিকা। বাকিগুলো প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে আছে। বেশ কয়েকটি কোম্পানি সম্ভাব্য একাধিক টিকা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। এর মধ্যে তৃতীয় বা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে চারটি।
এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি করোনার টিকা উদ্ভাবনের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়নি বা বাজারে ছাড়েনি। কোনো টিকা সফল প্রমাণিত হওয়ার পর উৎপাদনকারী দেশের অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের স্বীকৃতি পেলে তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে সেটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই একটি ঘোষণা শোনার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছে করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের মানুষ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃত চূড়ান্ত ধাপে থাকা চারটি টিকার মধ্যে ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে যৌথভাবে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সম্ভাব্য টিকার অগ্রগতি সবচেয়ে ভালো। তারা আরও দুটি টিকার পরীক্ষা এগিয়ে নিচ্ছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকা অন্য তিনটি সম্ভাব্য টিকার মধ্যে দুটি তৈরি করছে চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড ও সিনোফার্মা এবং একটি যুক্তরাষ্ট্রের মডের্না বায়োটেকনোলজি কোম্পানি। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোভ্যাক, মডের্না, সিনোফার্মা- চারটি কোম্পানিই ভ্যাকসিন উৎপাদনে বিশ্বে নামকরা প্রতিষ্ঠান। যে কোনো প্রচেষ্টা সফল হলে স্মরণকালে মহামারির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে মানুষের বিজয়গাথা রচিত হবে।
মানবদেহে পরীক্ষায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার 'এজেডডি ১২২২' নামে টিকা আশানুরূপ সফল হয়েছে। এর পোশাকি নাম সিএইচএডিওএক্সওয়ান এনকোভ-১৯। এ সম্পর্কে চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী দ্য ল্যানসেট-এ ২০ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ইউরোপে ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সী এক হাজার ৭৭ ব্যক্তির শরীরে টিকাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। প্রথম ডোজ গ্রহণ করার এক মাস পর তাদের শরীরে নভেল করোনাভাইরাস বা সার্স-কভ-২-এর বিরুদ্ধে চার গুণ বেশি প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের শরীরে ৯১ ভাগ এবং দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণকারীদের প্রায় শতভাগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হয়েছে। চূড়ান্ত ধাপে আমেরিকা ও এশিয়ায় এর পরীক্ষা হচ্ছে। তারপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলে টিকাটি বাজারে আসবে। মঙ্গলবার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যাকসিনটির গবেষণা দলের প্রধান অধ্যাপক সারাহ গিলবার্ট জানিয়েছেন, চলতি বছরেই টিকাটি বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে আশাবাদী তারা। তবে বেশি সময়ও লাগতে পারে।
সিনোভ্যাকের ওয়েবসাইটে গতকাল দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে সফলতার পর ব্রাজিলে ৯ হাজার ও ইন্দোনেশিয়ায় এক হাজার ৬০২ জন স্বেচ্ছাসেবকের দেহে চূড়ান্ত ধাপে তাদের টিকার পরীক্ষা শুরু হয়েছে। টিকা উদ্ভাবনে সবার আগে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করে বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। সার্সের টিকা উদ্ভাবন করা সিনোভ্যাকের বিজ্ঞানীদের দাবি, শরীরে করোনা প্রতিরোধে তাদের টিকা ৯৯ শতাংশ সফল। তাদের সম্ভাব্য আরও দুটি টিকা দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ইন ওয়েতুং বলেছেন, 'যে কোনো দেশে ট্রায়ালের জন্য আমরা প্রস্তুত।' চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশেও সিনোভ্যাকের টিকার হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য ২০ জুলাই চুক্তি হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সবকিছু প্রত্যাশামতো এগোলে আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ টিকাটি বাজারে ছাড়া হবে।
মডের্নার উদ্ভাবিত সম্ভাব্য টিকার প্রথম ধাপের সফলতা চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল মেডিসিন-এ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, কভিড-১৯ রোধে আশানুরূপ কার্যকর এই টিকা। এটি এখন ট্রায়ালের তৃতীয়, অর্থাৎ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২৭ জুলাই থেকে বিভিন্ন দেশে ৩৯ হাজার মানুষের শরীরে চূড়ান্ত ট্রায়াল শুরু হওয়ার কথা। মডের্নার টিকার পোশাকি নাম এলএনপি-এমআরএনএ এবং ক্লিনিক্যাল নাম এমআরএনএ-১২২২। তাদের আরও দুটি সম্ভাব্য টিকা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে। টিকা বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে কোনো সময়সীমা ঘোষণা না করলেও দ্রুতই সব কাজ শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন মডের্নার সিইও স্টেফান ব্যানসেল।
উহান ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস ও সিনোফার্মার যৌথ উদ্যোগে তৈরি সম্ভাব্য টিকার তৃতীয় ধাপের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ২০০ ব্যক্তির ওপর এটি প্রয়োগ করা হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ভ্যাকসিনটি বাজারে ছাড়ার আশা রয়েছে সিনোফার্মার। এ ছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় সফল হয়ে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের জন্য প্রস্তুত হয়েছে বায়োএনটেক ও ফাইজারের যৌথ প্রচেষ্টার 'থ্রি এলএনপি-এমআরএন' নামের টিকাটি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে থাকা টিকাগুলো হলো- চীনের কানসিনো বায়োলজিক্যাল ইনকরপোরেশন ও বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির যৌথ উদ্যোগে তৈরি অ্যাডেনোভাইরাস টাইপ ফাইভ ভেক্টর এবং আনহুই ঝিফেই লংকম বায়োফার্মাসিউটিক্যালস ও চাইজিন একাডেমি অব সায়েন্সেসের তৈরি আরবিডি-ডিমার, যুক্তরাষ্ট্রের ইনোভিও ফার্মাসিউটিক্যালস ও ইন্টারন্যাশনাল ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের ডিএনএ প্লাসমিড ভ্যাকসিন, কেন্টাকি বায়োপ্রসেসিংয়ের আরবিডি-বেসড ভ্যাকসিন এবং নোভাভ্যাক্সের সার্স কভ-২ গ্লাইকোপ্রোটিন ন্যানোপার্টিকেল ভ্যাকসিন, জাপানের ওয়াসাকা ইউনিভার্সিটির ডিএনএ প্লাসমিড ভ্যাকসিন, ভারতের ক্যাডিলা হেলথকেয়ার লিমিটেডের ডিএনএ প্লাসমিড ভ্যাকসিন ও ভারত বায়োটেকের হোল-ভিরিয়ন ভ্যাকসিন।
প্রথম ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় থাকা সম্ভাব্য টিকার মধ্যে রয়েছে- দক্ষিণ কোরিয়ার জেনেক্সিন কনসোর্টিয়ামের ডিএনএ ভ্যাকসিন (জিএক্স-১৯), চীনের ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজি ও চাইজিন একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সেসের ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন, ক্লোভার বায়োফার্মাসিউটিক্যালস ও জিএসকের ট্রাইমেরিক সাবইউনিট স্পাইক প্রোটিন ভ্যাকসিন এবং পিপল'স লিবারেশন আর্মি একাডেমি অব মিলিটারি সায়েন্সেস ও ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেকের এমআরএনএ ভ্যাকসিন, রাশিয়ার গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অ্যাডেনো-বেসড ভ্যাকসিন, অস্ট্রেলিয়ার ভ্যাকসিন প্রাইভেট লিমিটেডের রিকম্বিন্যান্ট স্পাইক ভ্যাকসিন ও ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের ও সিএসএলের মলিকুলার ক্লাম্প স্টাব্লাইজ স্পাইক প্রোটিন ভ্যাকসিন, যুক্তরাজ্যের ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনের এলএনপি-এনকভএসএআরএনএ ভ্যাকসিন, কিউরভ্যাকের এমআরএনএ ভ্যাকসিন, কানাডার মেডিকাগো ইনকরপোরেশনের ভিএলপি অ্যাডজুভ্যানটেড ভ্যাকসিন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় প্রথম ধাপের ট্রায়ালে থাকা টিকার মধ্যে পড়লেও মঙ্গলবার গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিকাকে 'শতভাগ ব্যবহার উপযোগী' বলে দাবি করেছে রাশিয়া। দেশটির কর্মকর্তারা মঙ্গলবার বলেছেন, আগস্ট থেকে টিকাটির ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদন শুরু হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ পাঁচটি দেশের সঙ্গে যৌথভাবে ২০ কোটি ডোজ তৈরি করা হবে। তবে রাশিয়ার এ বক্তব্যের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রি-ক্লিনিক্যাল, অর্থাৎ মানবদেহে এখনও পরীক্ষা হয়নি, এমন পর্যায়ে আছে ১৪২টি সম্ভাব্য টিকা। এর মধ্যে ভারতের কয়েকটি কোম্পানির টিকা রয়েছে। বাংলাদেশে করোনার সম্ভাব্য টিকা উদ্ভাবনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রথম পর্যায়ের সফল অ্যানিমেল ট্রায়ালের (পশুর ওপর প্রয়োগ) পর দ্বিতীয় পর্যায়ের অ্যানিমেল ট্রায়ালে আছে এটি। সফল হলে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে মানবদেহে পরীক্ষায় নামবেন তারা। এ বিষয়ে বুধবার প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ সমকালকে বলেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শেষে দ্বিতীয় পর্যায়ের অ্যানিমেল ট্রায়ালের ফলাফলসহ সর্বশেষ অগ্রগতি জানানো হবে। এরপর মানবদেহে ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের কাছে অনুমোদন চাওয়া হবে। আশা করি, আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবে।
গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের বিষয়টি বিশ্ব সংস্থার ভ্যাকসিন ট্র্যাকারে দেখতে না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে তথ্য নেয়। সংস্থার স্থানীয় অফিস থেকে এসব তথ্য সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে ভ্যাকসিন তৈরির ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়ালের খবর ট্র্যাকারে দেওয়ার দায়িত্ব সংস্থার ঢাকা অফিসের।
কভিড-১৯ মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত দেড় কোটি ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছে ছয় লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ। বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এ অবস্থায় টিকার দিকে তাকিয়ে আছে সবাই। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এ বছর না হলেও আগামী বছরের মাঝামাঝি টিকা হাতে পাওয়া যাবে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে অসুস্থ হওয়া থেকে মানুষের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে এটি। টিকা হাতে এলে উঠে যাবে লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের বাধ্যবাধতা। স্বাভাবিক হবে জীবনযাত্রা। এই প্রত্যাশা পূরণ নিয়ে অনিশ্চয়তাও রয়েছে। কারণ, এইচআইভির মতো ঘাতক রোগের টিকা আজও আবিস্কার হয়নি। তবে এর আগের অন্য সব মহামারির চেয়ে করোনার টিকা তৈরির অগ্রগতি খুবই আশাব্যঞ্জক। টিকা আবিস্কার হলে মাথাপিছু চার হাজার ডলারের বেশি আয় করা দেশগুলোকে তা কিনে নিতে হবে। তবে স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ায় বিনামূল্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে প্রথমেই তা পেয়ে যাবে বাংলাদেশ।