হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ প্রতিবাদেও হেলদোল নেই বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর। এই মুহূর্তে ক্ষমতা ছাড়ার কোনো ইচ্ছেই তার নেই। বরং জোর করেই ক্ষমতায় থাকতে চাইছেন তিনি। তবে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের জেরে শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনের পর পদ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বেলারুশের সরকারি বার্তা সংস্থা বেল্টার বরাত দিয়ে এখবর দিয়েছে রয়টার্স 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে লুকাশেঙ্কো একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের পর ক্ষমতা ছাড়ার কথা উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো নতুন একটি সংবিধানের পর ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেন কিন্তু চাপের মুখে নয়। রুশঘনিষ্ঠ এই প্রেসিডেন্ট ১৯৯৪ সাল থেকে দেশটির ক্ষমতায় আছেন। রোববার রাজধানী মিনস্কে বিরোধীদের ডাকা এক বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ জড় হয়েছে যা স্বাধীন বেলারুশের ইতিহাসে আগে কখনই দেখা যায়নি। গত ৯ আগস্ট বিতর্কিত একটি নির্বাচনের ফলাফলে প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কোকে আবারও বিজয়ী ঘোষণা করা হলে বেলারুশে ব্যাপক বিক্ষোভ এবং ধর্মঘট শুরু হয়। এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের কর্মীরাও। তারা সেন্সরশিপ এবং নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ফলে টেলিভিশনে পুরনো সব অনুষ্ঠানই পুনঃপ্রচার করতে দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে আরো বিক্ষোভ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ওদিকে লুকাশেঙ্কো পদ ছাড়লে দেশে অস্থায়ী কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বগ্রহণে নিজের সম্মতির কথা জানিয়েছেন ৯ আগস্টের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী তিখানোভস্কিয়া। কিন্তু ক্ষমতাসীন লুকাশেঙ্কো এক সমাবেশে তার সমর্থকদের প্রতি দেশ ও স্বাধীনতা রক্ষার ডাক দিয়েছেন।