দোকান-বাজার, শপিংমল খুলতে বাধা নেই। কিন্তু ধর্মীয় স্থান খুলতে সরকারের আপত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবডে।

এই নীতিকে ‘অদ্ভুত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক স্বার্থ’ জড়িত থাকলে ‘তথাকথিত’ করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি নিতেও সরকার তৈরি। কিন্তু ধর্মের প্রশ্ন এলেই, কোভিড ও বিপদের কথা আসছে। খবর আনন্দবাজারের।

এই অবস্থান থেকেই দেশটির সুপ্রিম কোর্ট আগামী দু’দিন ‘পর্যুষণ’ পালনের জন্য মহারাষ্ট্রের তিনটি জৈন মন্দির খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছেন। তবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

এর আগে দেশটির জৈনদের সংগঠন শ্রীপার্শ্বতিলক শ্বেতাম্বর মূর্তিপূজক জৈন ট্রাস্ট পর্যুষণ পর্ব পালনের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে। তাদের দাবি ছিল, মুম্বইয়ের দাদর, বাইকুল্লা ও চেম্বুরে তিনটি জৈন মন্দিরে প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হোক। তবে মহারাষ্ট্র সরকার এর অনুমতি দেয়নি। 

এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, রথযাত্রার সময়ও আমরা একই সমালোচনা ও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিলাম। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস ছিল, দূরত্ব বজায় রেখে শুধু রথের দড়ি টানলে কোনও ক্ষতি হবে না। এখনও পর্যন্ত কোনও সমস্যা হয়নি। 

একইভাবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধির যাবতীয় শর্ত মানলে ওই তিনটি মন্দিরে প্রার্থনার অনুমতি দিলেও সমস্যা তৈরি হবে না বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। তবে একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, এই ছাড়পত্রের সঙ্গে অন্য মন্দির বা গণেশ চতুর্থী উদ্‌যাপনের সম্পর্ক নেই। কারণ সেখানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়।