জাপানের প্রধানমন্ত্রী হলেন ইয়োশিহিদে সুগা

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০     আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

ইয়োশিহিদে সুগা

ইয়োশিহিদে সুগা

জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইয়োশিহিদে সুগা। তিনি বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

আবে সরকারের মুখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করা সুগা বুধবার দিনের শেষ দিকে তার নিজের মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। খবর বিবিসির

শারীরিক অসুস্থতার কারণে তার পূর্বসূরি শিনজো আবের পদত্যাগের পর তার ডানহাত বলে পরিচিত সুগা প্রধানমন্ত্রী পদে সহজেই জয় পেয়েছেন।

নিম্নকক্ষের স্পিকার টাডামোরি ওশিমা বলেন, ভোটের ফল অনুসারে সুগাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছে আমাদের হাউস।

৭১ বছর বয়সী সুগা পার্লামেন্টে ৪৬২টি ভোটের মধ্যে ৩১৪টি পেয়েছেন।

এর আগে, সোমবার ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) প্রধান হিসেবে ব্যাপক ভোটে বিজয়ী হন তিনি।

নিজের বর্তমান মেয়াদপূর্তির এক বছর আগেই গত ২৮ আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগের ঘোষণা দেন শিনজো আবে। জাপানে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা আবে বেশ কয়েক বছর ধরে ‘আলসারেটিভ কোলাইটিস’ রোগে ভুগছেন।

শিনজো আবের ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত সুগা। তার উত্তরসূরী হিসেবে সুগা তার নীতি অনুসরণ করবেন বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

সুগা সাধারণ জনগণ ও গ্রামীণ সম্প্রদায়ের স্বার্থ উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, আবের অসমাপ্ত নীতি নিয়ে তিনি কাজ করবেন এবং তার মূল অগ্রাধিকার হবে করোনাভাইরাস মোকাবিলা এবং এ মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির চাকা ঘুরানো।

তার সামনে রয়েছে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ। যার মধ্যে আছে বিরোধপূর্ণ পূর্ব চীন সাগরকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক, করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া টোকিও অলিম্পিক নিয়ে কী করা হবে এবং আগামী মার্কিন নির্বাচনে যিনি বিজয়ী হবেন তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক স্থাপন। 

ইয়োশিহিদে সুগার জন্ম এক কৃষক পরিবারে। ১৯৭৩ সালে টোকিও হোসেই নামক এক নৈশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক করেন তিনি। তিনি ১৯৮৬ সালে এলডিপিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে কানাজাওয়া প্রদেশ থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুগা শিনজো আবের রেখে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীত্বের ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ পূরণ করবেন।