আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ২৩

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘর্ষ-দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘর্ষ-দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

বিরোধপূর্ণ একটি অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ফের যুদ্ধ শুরু হয়েছে। দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। 

রোববার প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরও শতাধিক মানুষ। খবর বিবিসির

আর্মেনিয়ায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, আজারবাইজানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। 

আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান বলেছেন, আজারবাইজান বিমান ও গোলন্দাজ হামলা শুরু করেছে। 

অন্যদিকে, আজারবাইজান বলেছে, পুরো সীমান্তজুড়ে শুরু হওয়া গোলাবর্ষণের জবাব দিচ্ছে তারা, আর্মেনীয়দের গোলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। 

দু'দেশের বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির মধ্যে আর্মেনিয়া তার দেশটিতে সামরিক আইন জারি ও বিপুলসংখ্যক সেনা সমাবেশ করেছে। প্রতিবেশী রাশিয়া দেশ দুটিকে দ্রুত গোলাগুলি বন্ধ করতে আহ্বান জানিয়েছে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টা ১০ মিনিট থেকে আরাতসাক রিপাবলিকের (নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত) রাজধানী স্তেপানাকের্তসহ বেসামরিক এলাকাগুলোতে হামলা চালানো হচ্ছে। এক বিবৃতিতে দেশটি বলেছে, আমরা সমানুপাতিকভাবে সাড়া দেব আর পুরো পরিস্থিতির দায়দায়িত্ব আজারবাইজানের সামরিক-রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বহন করতে হবে। 

এর আগে আজারবাইজান এক ঘোষণায় বলে, 'আর্মেনিয়ার সশস্ত্র বাহিনীগুলোর যুদ্ধজনিত ক্রিয়াকলাপ দমন করতে ও বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সেনারা পুরো সীমান্তজুড়ে পাল্টা আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করেছে।

রোববার আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ বলেছেন, তিনি এই অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি গ্রামে তীব্র গোলাবর্ষণে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লড়াইয়ে তাদের একটি হেলিকপ্টার খোয়া গেলেও এর ক্রুরা জীবিত আছেন।

এর আগে, জুলাই মাসে সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৬ হন নিহত হন।