'আমার বউকে ফিরিয়ে দাও', বাড়ির সামনে অনশনে যুবক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০     আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: সংবাদ প্রতিদিন

ছবি: সংবাদ প্রতিদিন

প্রেমিক-প্রেমিকার ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের মাঝে মনোমানিল্য দেখা দিলে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অনশনে বসে পড়েন প্রেমিকা। এমন ঘটনা হারহামেশা ঘটছে। এবার স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগ তুলে শ্বশুরবাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ও রেজিস্ট্রির নথি হাতে অনশনে বসে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার এক যুবক। 

নদিয়ার বিরোহীপাড়ার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী ওই যুবতেন নাম বাবু মল্লিক। সোনাখালি গ্রামের বাসিন্দা সংগীতা ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তার। কিন্তু কোনওদিনই তাদের মেলামেশা পছন্দ ছিল না সংগীতার পরিবারের। যুবকের ভাষ্য, এরই মাঝে গত আগস্ট মাসে পরিবারকে না জানিয়েই রেজিস্ট্রি সেরে ফেলেন তাঁরা। মালাবদলও হয়। তবে সিঁদুরদান বাকি ছিল। ভেবেছিলেন, পরে সকলে সবটা মেনে নেবেন। তারপর সামাজিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন তারা। কিন্তু তেমনটা হয়নি।

এরপর কোনওভাবে সংগীতার পরিবারের সদস্যরা রেজিস্ট্রির বিষয়টা জেনে যান। এতেই বাঁধে গোল। অভিযোগ, সেই থেকেই তরুণীর উপর অত্যাচার শুরু করে পরিবার। গৃহবন্দি করে রাখা হয় সংগীতাকে। প্রথমদিকে লুকিয়ে বাবুকে ফোন করতেন ওই তরুণী। কিন্তু কয়েকদিন ধরে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় তাদের মাঝে।

এরই জেরে  স্ত্রীকে ফিরে পেতে অনশনের পথ বেছে নেন বাবু। সোমবার ভোরে  ফুটতেই প্ল্যাকার্ড, বেশ কিছু ছবি ও রেজিস্ট্রির নথি নিয়ে সোনাখালি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন তিনি। সেখানেই ধরনায় বসেন ওই যুবক। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আমার বউকে ফিরিয়ে দাও।’ তার কথায়, ‘আমার বউকে আটকে রেখে অত্যাচার করা হচ্ছে। ওকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। ‘তার সাফ কথা, স্ত্রীকে না  নিয়ে বাড়ি ফিরবেন না তিনি।

যদিও জামাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংগীতার পরিবারের সদস্যরা। তারা বলেন, মেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই তার মন ভাল করতে কিছুদিনের জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। যদিও তাদের দাবি আদৌ কতটা সত্যি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, যুবকের কাছে বিয়ের আইনি কাগজ রয়েছে তা সত্ত্বেও আইন ভেঙে কেন মেয়েকে আটকে রাখছে ওই পরিবার? সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন