শান্তিনিকেতনে অস্ত্রসহ আটক ৬, ভারতের দাবি ৪ জন বাংলাদেশি

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০     আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   

কলকাতা প্রতিনিধি

গ্রেফতাদের নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ -সমকাল

গ্রেফতাদের নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ -সমকাল

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনের গোয়ালপাড়া গ্রাম থেকে অস্ত্রসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ভারতের দাবি তাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি।

রোববার রাতে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছে থেকে একাধিক নাইএমএম পিস্তল, বিস্ফোরক, টাইমার ও তার উদ্ধার করা হয়েছে। 

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ রাজনৈতিক নেতাদের খুন করার জন্য গোয়ালপাড়া গ্রামে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন তারা।

জানা গেছে, শান্তিনিকেতন সংলগ্ন গোয়ালপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে বেশ কয়েকজন বহিরাগত গত কয়েক মাস ধরে ভাড়া ছিলেন। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। খবর পেয়ে রোববার রাতে পুলিশ বাহিনী ঘরটি ঘিরে ফেলে। ঘরের ভিতরে তখন চলছিল মদের আসর। সেখান থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পশ্চিবঙ্গ পুলিশের দাবি, গ্রেফতারদের মধ্যে রফিক ফকিরের বাড়ি ঢাকার রায়েরবাগে, মুহম্মদ মুরাদ মুন্সীর বাড়ি রামপুরায়, মুহম্মদ দেলে মিঞা ও বিল্লাল হোসেনের বাড়ি খিলগাঁওয়ে। বাকিদের মধ্যে সৈয়দ আনোয়ার আলীর বাড়ি শান্তিনিকেতন এবং শেখ কাজল মুলুকের বাড়ি পশ্চিবঙ্গের বোলপুর।

এই বিষয়ে পশ্চিবঙ্গের সরকারি আইনজীবী ফিরোজ পাল বলেন, গ্রেফতারদের মধ্যে চারজন স্বীকার করেছে তাদের বাড়ি বাংলাদেশে। বাকি দু’জন স্থানীয় বলে দাবি করলেও তাদের কাছে পরিচয়পত্র না থাকায় ছয়জনের বিরুদ্ধেই ১৪এ(বি) ধারায় ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ২৫,২৭ অস্ত্র আইন, ১২০বি দুষ্কৃতিমূলক ষড়যন্ত্র, ২১২ লুকিয়ে থাকা এবং ৩৪ ধারায় বিস্ফোরক অ্যাক্টে মামলা করা হয়েছে। তারা রাজনৈতিক নেতাদের খুন করতে জমায়েত হয়েছিল।