বাবরি মসজিদ মামলার রায় ৩০ সেপ্টেম্বর

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০     আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে ভারতের অযোধ্যায় নবোদ্যমে শুরু হয়েছে রামমন্দির নির্মাণ কাজ। রামসভক্তদের উৎসাহ উদ্দীপনার  শেষ নেই। তবে ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় হতে যাচ্ছে।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার প্রায় ২৮ বছর পরে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ সিবিআই আদালত ওই মামলার রায় দেবে। বিজেপির অনেক সিনিয়র নেতা ওই মামলায় অভিযুক্ত। ভারতের মুসলমানরা ওই মামলাটির দিকে তাকিয়ে আছেন এখন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

 ‘কর সেবক’ নামধারী উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর  অযোধ্যায় কয়েকশ’ বছরের পুরোনো বাবরি মসজিদ প্রকাশ্য দিবালোকে ধ্বংস করেছিল। এই নিয়ে দায়ের করা মামলায় মোট ৪৯ জনকে দায়ী করে এফআইআর করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেঁচে আছে ৩২ জন।

এদের মধ্যে বিজেপির সিনিয়র নেতা এলকে আদভানি, মুরালি মনোহর যোশী, উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং, বিজেপি’র ফায়ার ব্র্যান্ড নেত্রী উমা ভারতী, বিনয় কাটিয়ারের মতো নেতাও রয়েছেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ওই মামলার রায় ঘোষণা হবে। অভিযুক্ত সকলকে ৩০ সেপ্টেম্বর বিশেষ সিবিআই আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।

আসন্ন রায় প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’বোর্ডের সদস্য কামাল ফারুকী বলেন, ‘২৭ বছর আগে অযোধ্যাতে যা ঘটেছিল তা রাতের অন্ধকারে নয় বরং দিনের আলোয় হয়েছিল। গোটা দেশ তা দেখেছিল। এক্ষেত্রে আদালতের রায়ে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত যাতে দেশে পুনরায় কোনো ধর্মের ধর্মীয় স্থানের বিরুদ্ধাচরণে কারো কোনো সাহস না হয়।’

শিয়া আলেম মহসিন তাকভি বলেন, যে রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ ভূমি বিবাদের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে মুসলিম সম্প্রদায় খুব বেশি ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা করে না। এই রায় ভূমি বিরোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখন অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দিয়ে দেশ ও বিশ্বের সামনে নজির সৃষ্টি করার বিষয়টি আদালতের হাতে।