ট্রাম্প-বাইডেন বিতর্কে করোনা প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এমন পরিস্থিতিতে হওয়া চূড়ান্ত বিতর্কে মহামারি করোনাভাইরাস প্রসঙ্গ উঠে এলো প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প আর জো বাইডেনের বক্তব্যে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নেসি অঙ্গরাজ্যের নাশভিলের বেলমন্ট ইউনিভার্সিটিতে টেলিভিশন বিতর্কে মুখোমুখি হন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন।

রয়টার্স জানায়, বিতর্কের শুরুতেই করোনাভাইরাস নিয়ে কথা বলেন দুই প্রার্থী। বাবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এ সময় ব্যক্তিগত আক্রমণও করেন একে অন্যকে।

বাইডেন বলেন, এত মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী যে কেউই আর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেন না। প্রত্যুত্তরে ট্রাম্প বলেছেন, করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে কিছুই বন্ধ রাখতে পারে না দেশ। আমরা করোনার সঙ্গেই বসবাস করতে শিখছি। আর কোনও পথ নেই।

৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে এটিই চূড়ান্ত বিতর্ক। এনবিসি নিউজের বিখ্যাত সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়েকার এ বিতর্ক সঞ্চালনা করেন। বিতর্কে নানা ইস্যু নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প আর বাইডেন। টেলিভিশনের সামনে বসে সে দৃশ্য উপভোগ করেন আমেরিকানরা।

দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত বিতর্কে বক্তব্যের সময় কোনো প্রার্থী অন্য প্রার্থীকে কথা বলায় বাধা দিলে তার মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ম করা হয়। তবে এমন পরিস্থিতি এবার তৈরি হয়নি। 

বিতর্কে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বাইডেন বলেন, ‘দেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা যে দেশই করবে তাদের মূল্য দিতে হবে। এটা আমেরিকার সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন।’ জবাবে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়াসহ অন্য সব দেশের ওপর তিনি যথেষ্ট কঠোর।

ইউক্রেনে বাইডেনের ছেলের ব্যবসা নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্নে বাইডেন বলেন, এ বিতর্ক ট্রাম্প বা তার পরিবারের নয়। এ বিতর্ক আমেরিকার জনগণের স্বার্থ নিয়ে।

ওবামা কেয়ারকে শক্তিশালী করে ওষুধের মূল্য কমানো ও জনগণের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করার পরিকল্পনার কথা বলেন বাইডেন। তবে ওবামাকেয়ার বাতিল করে আরেকটি ভালো স্বাস্থ্যসেবা আইন চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান ট্রাম্প।

সিএনএন বলছে, রিপাবলিকান সমর্থকেরা চূড়ান্ত বিতর্কে ট্রাম্প নাটকীয় কিছু দেখাবেন বলে প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে সে রকম কিছু ঘটেনি এবার।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ও বাইডেনের প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এই বিতর্কে কথা বলার সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের করোনা সংক্রমণের কারণে দ্বিতীয় বিতর্ক ভার্চুয়াল করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিতর্ক কমিশন। ট্রাম্প তবে ট্রম্পের সমর্থন না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়।