কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) গত ১ নভেম্বর স্থানীয় কিছু বখাটে অপহরণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এরপর থেকে মেয়েকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই ছাত্রীর বাবা মতিউর রহমানসহ স্বজনরা।  ঘটনার দিনই দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো সন্ধান মেলেনি অপহৃত মেয়েটির। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ মেয়েকে ফেরত পেতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান বাবা মতিউর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে স্বজনরা অভিযোগ করেন, প্রতিদিনের মতো কোচিং ক্লাস করতে গত শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় ওই ছাত্রী। নির্ধারিত সময়ে সে বাড়ি না ফেরায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায় পাশের জয়রামপুর গ্রামের আনেজের ছেলে আজিজ ও একই গ্রামের কামরুলের ছেলে ইমনসহ কয়েকজন কোচিংয়ে যাওয়ার পথে মেয়েটিকে অপহরণ করে। এ কাজে তাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন শালিমপুর গ্রামের শাহাজুল, শাহাবুল ও মহাবুল নামে আরও তিন যুবক। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ওইদিনই দৌলতপুর থানায় তানিয়ার বাবা বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেন। কিন্তু ঘটনার পর ৪ দিন অতিবাহিত হলেও অপহরণকারীদের আটক বা অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় চরম উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা মতিউর রহমান, চাচা শাহাবুল ইসলাম, দাদী রহিলা খাতুন, নানা রহিম বক্স, আকরাম হোসেনসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। মতিউর রহমান অভিযোগ করেন, থানায় অভিযোগের দু'দিন পর অপহরণের সহযোগী মহাবুলকে আটক করা হলেও অদৃশ্য কারণে তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ। 

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহুরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের কোনো গড়িমসি নেই। মামলা এন্ট্রি করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে। দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধারসহ জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য করুন