মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে দেখতে বলেছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। তাতেই বেঁধেছে বিপত্তি। অঙ্গরাজ্যগুলোর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার আগেই কেন এ মন্তব্য, সে কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে পদত্যাগ করে বসেছেন দেশটির বিচার বিভাগের শীর্ষ আইনজীবী রিচার্ড পিলগার।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধবিষয়ক প্রসিকিউটর রিচার্ড পিলগার। শীর্ষ এ কর্মকর্তা বিভিন্ন ধরনের তদন্তের তদারকি করতেন।

নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত ঘটনা বা তদন্ত সাধারণত স্বতন্ত্রভাবে অঙ্গরাজগুলোর কাছেই থাকে। কিন্তু উইলিয়াম বার ফেডারেল প্রসিকিউটরদের বলেছেন, এটি কঠিন কিংবা দ্রুত নিয়ম নয়। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা উচিত।

দেশটির প্রবীণ রাজনীতিক জো বাইডেন এ পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুসারে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা মানতে নারাজ। বারবার অভিযোগ করছেন নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে। যদিও তিনি কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি এখনও।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, জো বাইডেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর গত শনিবার নিজের জয় নিশ্চিত করেন ‘ম্যাজিক ফিগার’ ২৭০ অতিক্রম করে। কিন্তু ট্রাম্প বরাবরই বলে আসছেন ভোটে অনিয়ম হয়েছে। অবশ্য শেষের দিকে যে কয়টি রাজ্যে নিজে জিততে পারেননি, শুধু সেগুলোতেই অনিয়মের কথা বলছেন তিনি।

হোয়াইট হাইসের প্রেস সেক্রেটারি কালেইগ ম্যাকেনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, নির্বাচন এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এটি থেকে দূরে থাকা উচিত হবে। কিন্তু উইলিয়াম বার তা করেননি।

অ্যাটর্নি জেনারেল ফেডারেল প্রসিকিউটরদের লিখেছেন অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা যেতে পারে। যদি তারা এর স্পষ্ট এবং আপাত-বিশ্বাসযোগ্য কোনো তথ্য পান। যদিও এখনই দেখার সময় আসেনি বলছেন প্রসিকিউটররা। এছাড়া বিষয়টি রাজ্যগুলোরই দেখার কথা। তাই কিছুক্ষণের মধ্যেই ইমেইলের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন রিচার্ড পিলগার।