সৌদি আরবে গাছ কাটার বিরুদ্ধে কঠোর সাজার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার নিউ আরব সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে এ খবর দেয়া হয়েছে। 

পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশটির কর্তৃপক্ষের ভিশন ২০৩০-এর আওতায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।খবর আল জাজিরার।

চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের পাবলিক প্রসিকিউশনের এক টুইটে বলা হয়, গাছ, গুল্ম বা গাছের ছালবাকল তুলে ফেলা বা পাতা ছেঁড়া, চারাগাছ মাটি থেকে উপড়ে ফেলা এবং গাছের গোড়া থেকে মাটি সরিয়ে নেয়াসহ এধরনের কাজকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ কোটি রিয়াল জরিমানা করা হবে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের একটি পদক্ষেপ। দেশটি আগামী এক দশকের মধ্যে পরিবেশের ভারসাম্যে একটা স্থিতাবস্থা আনতে চায়।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুলরহমান আল ফাজলি গত মাসে বলেন, আমরা দেশে সবুজ বিপ্লব ঘটাতে চাই। তাই চলুন, গাছ লাগাই। তিনি আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে সারা দেশে এক কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন।

২০১৬ সালে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারে গতি আনার লক্ষ্যে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য সম্পদ বাড়ানোর কথা সামনে রেখে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার নেয়ার কথা বলেছিলেন।

টুইটে বলা হয়, আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াব। পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রকল্প স্থাপন করব। সকল ধরনের দূষণ হ্রাস এবং মরুভূমির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যথাসম্ভব লড়াই করে পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা চালাব।

বিষয় : গাছ কর্তন জেল-জরিমানা সৌদি আরব

মন্তব্য করুন