চীনের কাছ থেকে ২.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২০     আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এর মেইনলাইন (এমএল)-১ প্রকল্পের প্যাকেজ -১ এর নির্মাণকাজের জন্য চীনের কাছ থেকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তান প্রাথমিকভাবে চীনকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করবে বলে এমএল-১ প্রকল্পের অর্থায়ন কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। খবর ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের

অর্থ মন্ত্রণালয়কে পরের সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনকে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান। কারণ বেইজিং চলতি মাসের শেষের দিকে তার পরবর্তী বছরের অর্থায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে পাকিস্তান ১ শতাংশ সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণের জন্য চীনের কাছে অনুরোধ করেছে। তবে চীন এখনও এই অনুরোধে আনুষ্ঠানিকভাবে সাড়া দেয়নি। বেইজিং জানিয়েছে, টার্মশিটে উল্লিখিত সুদের হার বেশি হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাক্কানী একটি নিবন্ধে লিখেছেন, চীনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখতে পাকিস্তানের আকাঙ্ক্ষার ফলস্বরূপ ৬২ বিলিয়ন ডলারের সিপিইসি নির্মাণ হয়েছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহায়তাসহ চীন ধারাবাহিকভাবে দেশটিকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তবে চীন তার জনগণকে সাহায্য করার জন্য পাকিস্তান নয়, বরং শিকারী অর্থনৈতিক অভিনেতা হিসাবে রয়েছে। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে সিপিইসি বিক্রি হয়েছিল। তবে, চীনই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। এই পদক্ষেপের ফলে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে আরও প্রভাব পড়বে।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বারবার ৬০ বিলিয়ন ডলারের সিপিইসি সমাপ্ত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরে বলেছেন, এটি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চাবিকাঠি।