ক্ষমতা হস্তান্তর

বাইডেনের সঙ্গে ট্রাম্প কর্মকর্তাদের গোপন যোগাযোগ

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২০       প্রিন্ট সংস্করণ

সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান ও সাবেক অনেক কর্মকর্তা ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ শুরু করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনে রাজনৈতিক নিয়োগ পাওয়ার পর পদত্যাগী কর্মকর্তারাও রয়েছেন এই তালিকায়। এদিকে রিপাবলিকান দলের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, বর্তমান প্রশাসন নিয়মতান্ত্রিকভাবেই পরবর্তী প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। খবর সিএনএনের।
প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এই গোপন যোগাযোগ এই বার্তাই দিচ্ছে, ট্রাম্প এখন পর্যন্ত পরাজয় স্বীকার না করে মসৃণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে যে বাধার সৃষ্টি করেছেন তাতে তার অধীন কর্মকর্তাদের একাংশ হতাশ হয়ে পড়েছেন। ট্রাম্প পরাজয় স্বীকার করে ক্ষমতা হস্তান্তর শুরুর নির্দেশ না দেওয়ায় বাইডেন নতুন প্রশাসন গঠন করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি গোপনীয় গোয়েন্দা ব্রিফিং থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
ট্রাম্পের একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন, বাইডেন শিবিরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের এই যোগাযোগের অর্থ হচ্ছে, তারা দলীয় বিবেচনার ঊর্ধে উঠে দেশের প্রতি দায়িত্ব পালনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তবে ট্রাম্পের নির্দেশ না পাওয়ায় এসব যোগাযোগ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের মতো বিস্তৃত হচ্ছে না। অবশ্য এর ফলে বাইডেন টিম নতুন দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাচ্ছে।
ট্রাম্পের একজন কর্মকর্তা বলেন, বাইডেন টিমকে সহায়তা করার জন্য তাদের অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ করতে হচ্ছে। বাইডেন টিমও তাদের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারছে বলে তিনি মনে করেন। বাইডেন টিমও এই যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে।
৩ নভেম্বরের ভোটের দু-তিন দিনের মাথায় বাইডেনের জয় স্পষ্ট হয়ে গেলেও ট্রাম্প ভোটে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পরাজয় স্বীকার থেকে বিরত আছেন। তিনি জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করলেও তা খারিজ হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাইডেনের জয় মেনে নিতে শুরু করেছেন। একজন কর্মকর্তা বলেছেন, তারা বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্ভাব্য নিয়োগকর্তাদের কাছে তারা জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে শুরু করেছেন।
হোয়াইট হাউস ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে কালক্ষেপণ করলেও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রিপাবলিকান নেতা এবং সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান মিচ ম্যাককনেল বলেছেন, পরবর্তী প্রেসিডেন্টের অভিষেকে বিলম্ব হবে না। এ নিয়ে যেসব কথাকর্তা হচ্ছে, তা সবই অপ্রাসঙ্গিক।