ইসরায়েলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে রাজি হওয়ার একদিন পরই মরক্কোর কাছে এক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের কপি পাঠিয়েছে সিনেটে। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত ড্রোন এবং লক্ষ্যভেদে নির্ভুল অ্যাম্যুনিশন।

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পুরস্কার হিসেবে মরক্কো পশ্চিম সাহারা অঞ্চলের বিতর্কিত ভূমিতে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ওই অস্ত্র পাওয়ার নিশ্চয়তাও পেয়েছে আফ্রিকার ওই মুসলিম প্রধান দেশটি। খবর রয়টার্সের।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পর ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছিল, সম্পর্ক স্থাপনের মিছিলে আরো আরব দেশ রয়েছে। এই মিছিলে মরক্কো হলো চার নম্বর দেশ। তাদের আগে রয়েছে বাহরাইন ও সুদান।

ব্লুমবার্গ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কংগ্রেসের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নোটিসের মধ্য দিয়ে অস্ত্র বিক্রির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বড় বড় চুক্তিগুলো কংগ্রেসকে অবহিত করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। কংগ্রেস এগুলোকে পুন:পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে শুরু করার অনুমোদন দিয়ে থাকে।

কংগ্রেস চাইলে যে কোনো চুক্তি বাতিল করার নির্দেশও দিতে পারে। তবে মরক্কোর কাছে অস্ত্র বিক্রির ব্যাপারে তাদের আপত্তি থাকবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সব সদস্যই যে অনুমোদনে সমর্থন দিয়ে থাকেন তা কিন্তু নয়। এর আগে আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে বেশ কয়েকজন কংগ্রেস সদস্য নিজেদের আপত্তি জানান।