ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ইচ্ছুক মধ্যপ্রাচ্যে আরো অনেক দেশ রয়েছে। তবে ইসরায়েল জানিয়েছে, আগ্রহী সে দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান নেই। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোরে মধ্যে যে 

দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের হিড়িক পড়েছে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এ আভাস পাওয়া গেছে। খবর আল জাজিরার।

সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রথম প্রক্রিয়াটি শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো।

ইনেট টিভির সঙ্গে আলাপচারিতায় ইসরায়েলের আঞ্চলিক সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী ওফির আকুনিস বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে অন্তত আরো দুটি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পকোর্ন্নয়নে এগিয়ে আসতে পারে। তিনি অবশ্য দেশগুলোর নামোল্লেখ করেননি। তবে তাদের মধ্যে যে সৌদি আরব নেই, এটা স্বীকার করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের নয়, আরো পূর্বের একটি ছোট মুসলিম দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে ইচ্ছুক। তবে সেটা পাকিস্তান নয়।

গত সপ্তাহে পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ শাহ কোরেশি পরিষ্কার জানিয়েছেন, ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারে, তাহলে পাকিস্তান কখনোই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি পারে না। 

আমিরাতে পাকিস্তানিদের ভিসা বন্ধ হয়ে গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোরেশি এ নিয়ে দেন দরবার করতে আবুধাবি যান। এ নিয়ে এমন কানাঘুষো ছড়িয়ে পড়ে যে, পাকিস্তানি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে রাজি, এমন বার্তা দেয়ার জন্যই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোরেশি পরে তা শক্তভাবেই নাকচ করে দেন।

এমন খবর দিয়েছিল কেবল ইসরায়েলি মিডিয়াগুলোই। কোরেশি আমিরাতকে জানিয়ে দেন, ফিলিস্তিনের বিষয়ে পাকিস্তানি জনগণের অনুভূতি এত গভীরে যে, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

এদিকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াও ইসরায়েলবিমুখ রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সঙ্গেও ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপনের কোনো সম্ভাবনাই নেই।