যুক্তরাজ্যে পরিবর্তিত করোনাভাইরাস স্ট্রেইনটি আরও সংক্রামক বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী বছর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রচুর মানুষের হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যু হতে পারে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। 

লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের সংক্রামক রোগ বিভাগের গাণিতিক মডেলিংয়ের কেন্দ্রের সমীক্ষা অনুসারে, করোনার অন্যান্য স্ট্রেইনের চেয়ে নতুন ধরনটি ৫৬ শতাংশ বেশি সংক্রমণে সক্ষম। খবর ব্লুমবার্গ ডটকমের

এর আগে যুক্তরাজ্যের সরকার বলেছিল, রূপান্তরিত ভাইরাসটি অন্যান্য প্রচলিত স্ট্রেইনের চেয়ে ৭০% বেশি সংক্রমণ ক্ষমতার।

অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক এবং সিঙ্গাপুরসহ বেশ কয়েকটি দেশে নতুন স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে। উদ্বেগ জাগিয়ে তুলেছে যে, নতুন এ ভাইরাসের ক্ষেত্রে টেস্ট, চিকিৎসা এবং টিকা কম কার্যকর হতে পারে। যদিও ইউরোপের হেলথ রেগুলেটরি বলেছে, নতুন এ স্টেইন ফাইজার-বায়োটেকের টিকার ক্ষেত্রে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। 

ব্রিটেনে এটি এখন ছড়াচ্ছে অস্বাভাবিক দ্রুততায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের গায়ে থাকা কাঁটার মত স্পাইকগুলোয় মিউটেশনের ফলে প্রোটিনে এমন কিছু পরিবর্তন হচ্ছে যাতে এটা আরো সহজে মানুষের দেহকোষে ঢুকে পড়তে পারছে। এটিই বিশেষ দুশ্চিন্তার কারণ। এই নতুন ধরনে ১৪টি মিউটেশন চিহ্নিত করা গেছে।

এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে করোনার প্রকোপ ঠেকাতে সপ্তাহে ২০ লাখ ভ্যাকসিন দিতে হবে। বর্তমান যেখানে সপ্তাহে ২ লাখ টিকা প্রয়োগ হচ্ছে।