ঢাকা বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

প্রতি সেকেন্ডে যেখানে মৃত্যুঝুঁকি

প্রতি সেকেন্ডে যেখানে মৃত্যুঝুঁকি

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৩ | ১৬:৪৯ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৩ | ০৪:২৮

ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রাকান আবদেলরহমান ‘প্রেস’ লেখা ভেস্ট পরে একটি ক্যাফেতে বসে কাজ করছিলেন, যাতে করে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বোমা হামলার প্রতিবেদনের জন্য তিনি দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারেন। তবে আবদেলরহমান, যাঁর প্রতিবেদন মিডল ইস্ট আই ও দ্য ন্যাশনালের মতো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তিনি সেখানে কেবল একটি ঘটনা কাভার করছেন না; তার মতো গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনি সাংবাদিকরা প্রতিকূলতা ও মৃত্যুকে উপেক্ষা করে যুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

বোমা হামলা ও অবরোধের ফলে গাজা উপত্যকা ইন্টারনেট, বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে সাংবাদিকদের কাজকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।

আবদেলরহমান বলেন, দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে আমরা রিয়েল টাইমে কোনো বিষয়ে রিপোর্ট করতে পারি না। কাজ করার জন্য কোনো উপযুক্ত জায়গাও নেই। প্রেস ভেস্ট ও হেলমেট পরা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের যুদ্ধে টার্গেট করা হয়েছে।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় অন্তত ১৫ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

আবদেলরহমান আরও বলেন, যেখানে গণহত্যা চালানো হয়েছে, আমরা সেখানের ঘটনা কাভার করতে পারি না। এমনকি বোমা হামলার জায়গাগুলোতেও যেতে পারি না এই আশঙ্কায় যে, একই এলাকায় ইসরায়েল আবারও হামলা করতে পারে।

প্রতি সেকেন্ডে আপনি এখানে বিপদে আছেন। সাঈদ আল-তাওয়াইল, মোহাম্মদ সুবহ ও হিশাম আলনাওয়াজার মতো আমাদের সহকর্মীরা তাদের জীবন দিয়ে মূল্য শোধ করেছেন।

জর্ডানের আল-রোয়া টিভি চ্যানেলের সংবাদদাতা গাজী আল-আলাউল বলেন, গাজা উপত্যকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার অবিচ্ছেদ্য অংশ এই ভয় মোকাবিলা করা। কিন্তু আমাদের সহকর্মীদের মৃত্যু ও তাদের স্মৃতি আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে অনেক বেশি অনুপ্রেরণা জোগায়। সাংবাদিক হিসেবে আমরা সব সময় প্রমাণ করেছি যে আমরা কাজ করতে প্রস্তুত। সেই সঙ্গে ইসরায়েল আমাদের বিরুদ্ধে যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা সবার সামনে তুলে ধরতেও আমরা দায়বদ্ধ। খবর আলজাজিরার।

আরও পড়ুন

×