মহামারি করোনা ঠেকাতে পৃথিবীর অনেক দেশেই এরই মধ্যে চালু হয়েছে টিকার প্রয়োগ। তবে পর্যাপ্ত টিকার সরবরাহ না থাকায় সংকটে পড়েছে বেশ কিছু দেশ। তার মধ্যে জাপান অন্যতম।

এমন পরিস্থিতিতে সীমিত সংখ্যক ডোজ দিয়ে দেশটিতে টিকাদানের প্রথম মাসের কার্যক্রম চলবে। অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করা হবে এসব টিকা।

জাপানের টিকাদান কার্যক্রম কর্মসূচির প্রধানের বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে সোমবার এতথ্য জানিয়েছে।

জাপানে অনুমোদন পাওয়া একমাত্র টিকা হলো ফাইজারের টিকা। ইউরোপে উৎপাদিত ফাইজারের টিকার সরবরাহ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এরই মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনএইচকেতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাপানের প্রশাসনিক সংস্কারমন্ত্রী তারো কোনো জানিয়েছেন, মে মাসের আগে পর্যন্ত টিকার পর্যাপ্ত ডোজ দেশে পৌঁছাবে না।

তিনি বলেন, আগামী এপ্রিলে বয়স্কদের মধ্যে আমরা টিকাদান কার্যক্রম শুরু করব। কিন্তু প্রথমে তাদের জন্য যে পরিমাণ টিকা সরবরাহ করা হবে, তা সীমিত। তাই আমরা ধীরে ধীরে কার্যক্রম শুরু করতে চাই।

পশ্চিমা টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০০ মিলিয়নের বেশি টিকা পেতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাপান। তবে দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন পর্যন্ত মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

জাপানসহ অন্য যেসব দেশ সম্প্রতি টিকা সংকটে পড়েছে তাদের ব্যাপারে একটি নির্দেশনা দিয়েছে ইসরায়েলের এক গবেষণা। এতে বলা হয়েছে, দুই ডোজের বদলে ফাইজারের একটি ডোজ প্রয়োগ এই সংকট মোকাবিলা করতে পারে।

রয়টার্স জানিয়েছে, চলতি বছর ফাইজারের টিকার ১৪৪ মিলিয়ন ডোজ পেতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আলোচনা করেছে জাপান। রোববার দ্বিতীয় দফায় এই টিকার ৪ লাখ ৫০ হাজার ডোজ দেশে পৌঁছেছে।

বিষয় : করোনা জাপান ফাইজারের টিকা

মন্তব্য করুন