এপ্রিলের দ্বিতীয় ভাগে ভারতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে করোনা সংক্রমণ। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। 

মধ্য ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া করোনার সেকেন্ড ওয়েভ (দ্বিতীয় ধাক্কা) ১০০ দিন (তিনমাস) থাকবে এবং ১৫ এপ্রিলের পর এটা সর্বোচ্চ সংক্রমণ ঘটাবে। আর এরমধ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা হবে ২৫ লাখ। বর্তমানে ১৬ লাখের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছে এই মারণ ব্যাধিতে। খবর এনডিটিভির।

স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ২৮ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে স্থানীয়ভাবে লকডাউন কিংবা সামাজিক দূরত্ব বিধি খুব একটা কার্যকর হয়নি বলে মন্তব্য করে বলা হয়, কেবল ভ্যাকসিনই পারবে মহামারির বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার বিষয়ে আশা জোগাতে। এতে বলা হয়েছে, প্রথম ধাক্কার পর বর্তমানে সংক্রমণের চলমান হার পর্যবেক্ষণ করে এপ্রিলের দ্বিতীয় ভাগে সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ওপর আলোকপাত করে এসবিআইয়ের প্রতিবেদন জানিয়েছে, ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ সূচকটি গত সপ্তাহে হ্রাস পেয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু রাজ্যে আরোপিত লকডাউন বা বিধিনিষেধের প্রভাব আগামী মাসে দৃশ্যমান হতে পারে।

প্রতিবেদনে দেশ জুড়ে টিকা প্রদানের হার আরো বেশি করারও আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন সারা দেশে ৩৪ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হচ্ছে। এসবিআই এই সংখ্যা ৪০-৪৫ লাখে উন্নীত করার তাগিদ দিয়েছে। আগামী চারমাসের মধ্যে ৪৫ এর বেশি বয়সীদের টিকা দান কর্মসূচি শেষ করার কথাও বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভারতে সংক্রমণের সর্বোচ্চ ৫৩ হাজার ৪৭৬ জন। গত ৫ মাসের মধ্যে আজই সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই হিসেব দিয়েছে। বুধবার তারা ভারতের ১৮ রাজ্যে করোনার ডাবল মিউট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।