ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটের পর সবার নজর এবার নন্দীগ্রামে। ১ এপ্রিল দ্বিতীয় ধাপে নন্দীগ্রাম আসনে ভোট গ্রহণ হবে। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন তারই এক সময়ের শিষ্য শুভেন্দু অধিকারী। এখন চলছে দুই প্রার্থীর কথার লড়াই। বিজেপির হয়ে শুভেন্দুর পক্ষে নন্দীগ্রাম নিয়ে সরব রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাসহ দলটির শীর্ষ নেতারা। তবে আত্মবিশ্বাসী মমতা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমি একাই ১০১।

রোববার চলচ্চিত্র অভিনেতা সোহমের পক্ষে চণ্ডীপুরে নির্বাচনী জনসভা করেন মমতা। চণ্ডীপুরে সোহম তৃণমূল প্রার্থী। সেখানে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ২ মে বাংলায় আরেকটি দোলযাত্রা হবে। সবুজ আবিরে দোলযাত্রা। এই আসনে মমতার প্রার্থী সোহম।

চণ্ডীগ্রামের জনসভা শেষ করে মমতা সরাসরি নন্দীগ্রামে যান। সেখানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। নিজের আসনে নির্বাচনী প্রচারের বাকি দু'দিন মানুষের কাছে সরাসরি ভোট চেয়ে কাটাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা।

এদিকে রোববার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করে তৃণমূল ও মমতাকে একহাত নিয়েছেন বিজেপির সাবেক সভাপতি অমিত শাহ। তিনি দাবি করেন, বাংলায় বিজেপির জয় হবেই। প্রথম দফার ৩০ আসনের মধ্যে ২৬টি পাবেন তারা। অমিত শাহ বলেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে বলতে চাই, নন্দীগ্রামে পরিবর্তন হলেই পুরো বাংলাতেই পরিবর্তন হয়ে যাবে। তাদের কাছে আমার আবেদন, নন্দীগ্রাম থেকেই পরিবর্তন শুরু হোক।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় এবার আট ধাপে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। প্রথম দফায় মানুষ স্বতঃস্ম্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের মতে, ভোট পড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অবশ্য এবার শুরু থেকেই মমতা নারী ভোটারদের টার্গেট করে প্রচার চালাচ্ছেন।