ঢাকা শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪

গাজায় বাড়ছে ক্ষুধা, দুর্ভোগ, উৎকণ্ঠা

গাজায় বাড়ছে ক্ষুধা, দুর্ভোগ, উৎকণ্ঠা

গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরে বৃহস্পতিবার খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শিশুরা। বন্দি ও জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েল ও হামাসের। ছবি-এএফপি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১১:৩৩

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের বোমা হামলার মধ্যে সেখানে যে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছিল, তা দূর করা যায়নি। উপত্যকায় গত এক সপ্তাহে অনেক ত্রাণবাহী গাড়ি প্রবেশ করলেও বিপুলসংখ্যক বাসিন্দার জন্য তা পর্যাপ্ত নয়। লাখো মানুষ খোলা আকাশের নিচে তাঁবুতে থাকছেন। সেখানে খাবার ও পানির সংকটের পাশাপাশি রয়েছে বিদ্যুৎ ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা। এ অবস্থায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জোরালো হচ্ছে।

প্রথম দফায় চার দিনের পর দ্বিতীয় দফায় দুই দিন ও তৃতীয় দফায় গতকাল বৃহস্পতিবার এক দিনের যুদ্ধবিরতি হয় গাজায়। আলজাজিরা জানায়, গতকাল বাজারগুলোতে লোকজন খাবার ও শীতবস্ত্রের জন্য জড়ো হন। কিন্তু নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী মূল্য তাদের হতাশাকে বাড়িয়েছে। একটি ছবিতে দেখা যায়, উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনি শিশুরা সারিবদ্ধ হয়ে ত্রাণের রান্না করা খাবার নিচ্ছে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ দৃশ্যমান।

যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইসরায়েল বাহিনীর গুলিতে জেরুজালেমে তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা একটি বাসস্টপে গুলি ছুড়েছেন। আহত হন আরও ছয়জন। বুধবার পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় গুলিতে আট ও ১৪ বছরের দুই ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়। 
বিবিসির পল অ্যাডামস জানান, চতুর্থ দফায় ইসরায়েল সফর করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। সফরকালে তিনি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি যাতে চলতে থাকে, সে পথ খুঁজবেন। তিনি গাজায় ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করলে তা কেমন হবে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সে বার্তাও দেবেন। বার্তা অনেকটাই পরিষ্কার– বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যা ঠেকাতে ইসরায়েলকে তাঁর যুদ্ধকৌশল পাল্টাতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন এক কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন, ইসরায়েল উত্তর গাজায় যা করেছে, দক্ষিণেও তা করতে পারে না। ইসরায়েলের কট্টরপন্থি নেতা বেনি গাঞ্জের হুমকির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এ সতর্কবার্তা এলো। বেনি গাঞ্জ বলেছেন, গাজার যে কোনো শহরে হামলা হতে পারে। পুরো উপত্যকায় যুদ্ধ ছড়িয়ে যেতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার জানান, ব্লিংকেন ফিলিস্তিনের রামাল্লায়ও যাবেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। 

আরও পড়ুন

×