করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সীমান্তে কঠোর কড়াকড়ি ও স্বাস্থ্য পরিদর্শন ব্যবস্থার কারণে চীন এখন বিশ্বে পরিচিত। ২০১৯ সালে দেশটির হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। দেশটির অন্য শহরগুলোতে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন প্রদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এখন চীনের এই সুরক্ষা বেষ্টনী আরও দুর্ভেদ্য হয়েছে।

অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো সীমান্তে কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সীমান্ত খুলে দিচ্ছে।

ফ্রাঙ্ক চান এশিয়া টাইমসে এক নিবন্ধে একথা বলেছেন। 

তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চীন তার প্রতিটি শহর, বিমানবন্দর ও চেকপয়েন্টে করোনা শনাক্তের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। চীন কেবল বিদেশিদের ওয়ার্ক ভিসা এবং স্টেড পারমিটসহ ভর্তির অনুমতি দিয়েছে। তবে সেখানে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে তাদের করোনার নেগেটিভ টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া চীনে পৌঁছে তাদের ভর্তি হওয়ার আগে তাদের তিন সপ্তাহ পর্যন্ত পৃথক পৃথক পরীক্ষার পাশাপাশি একাধিক পরবর্তী পরীক্ষাও করতে হবে।

তিনি বলেন, এদিকে পশ্চিমের দেশগুলো করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। তারা সীমান্ত খুলে দিয়েছে।  

এশিয়ার দেশ ভারতে এখন করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। ভারতের করোনার ধরন যাতে চীনে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য তিব্বতে ভারতের উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশের সীমান্তে আরও সুরক্ষিত কর্মী মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছে চীন।

ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক থিংক ট্যাঙ্ক আরএএনঅ্যান্ড কর্পোরেশনের মহামারি বিশেষজ্ঞ এবং চীন নীতি অধ্যয়নের বিশেষজ্ঞ ডা. জেনিফার হুয়াং বোয়ি তার ব্লগে উল্লেখ করেছেন,  চীনে স্থানীয় সংক্রমণ কমে এসেছে। তবে দেশটিতে টিকা কার্যক্রম ব্যাহত হলে সংক্রমণ বেড়েও যেতে পারে।  







বিষয় : চীন করোনাভাইরাস

মন্তব্য করুন