বিয়ের সাতাশ বছর পর আচমকা নিজেদের মধ্যে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস। ৩ মে দেওয়া তাদের ওই ঘোষণায় অনেকেই বেশ হতবাক হয়েছেন। যদিও অনেক চিন্তা-ভাবনা করেই দু'জনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারপরও বিল ও মেলিন্ডা নিজেরাও বিচ্ছেদের ধকল এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাছাড়া সাড়া জাগানো এই বিচ্ছেদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষের আগ্রহ ও সংবাদমাধ্যমের টানাটানি একেবারেই পছন্দ করছেন না মেলিন্ডা। তাই বিচ্ছেদের পর নিজের মতো সময় কাটাতে একটি নির্জন দ্বীপে গিয়ে উঠেছেন তিনি।

সঙ্গে অবশ্য নিজের তিন সন্তান ও পরিবারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সদস্যকে নিয়েছেন মেলিন্ডা। উদ্দেশ্য কাছের এই মানুষগুলোর সঙ্গে একান্তে কিছু সময় কাটানো। বিল গেটসের সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং বৈষয়িক ঝামেলাগুলো মিটমাট হয়ে গেলেই নিজের বাড়িতে ফিরবেন তিনি। এর আগ পর্যন্ত ওই নির্জন দ্বীপেই থাকবেন। দ্বীপ থেকেই নিয়মিত ব্যক্তিগত আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন মেলিন্ডা।

মন খারাপের এই দিনগুলো আনন্দে ভরিয়ে তোলার চেষ্টায় দিনে কোটি টাকার চেয়েও বেশি গুনতে হচ্ছে মেলিন্ডাকে। কারণ নিজের এবং পরিবারের জন্য ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের গোটা একটি দ্বীপ ভাড়া নিয়েছেন তিনি।

বিশাল রাজকীয় রিসোর্ট, সুইমিং পুল, নানা ধরনের খেলার জায়গা ও অঢেল বিনোদনের সুযোগ সংবলিত এই দ্বীপটির নাম ক্যালিভিগনি। গ্রানাডার অন্তর্গত এই দ্বীপটি মূলত ব্যক্তিগত সম্পত্তি। সমুদ্রে ঘেরা এই দ্বীপটির দৈনিক ভাড়া এক লাখ ৩২ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক কোটি ১১ লাখ টাকার চেয়েও বেশি!

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিত্তবানরা ছুটি কাটাতেই এই দ্বীপে আসেন। এছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে যে কোনো জমায়েতের জন্য দ্বীপটি ভাড়া নেওয়া যায়। ধনীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় এই দ্বীপটিতে আসার জন্য লন্ডন, মিয়ামি, নিউইয়র্ক থেকে সরাসরি বিমান সার্ভিসও রয়েছে গ্রানাডায়।