উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে আবারও জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। এবারের আলোচনার বিষয়, প্রায় গোল হয়ে ওঠা কিমের ওজন আগের চেয়ে কমেছে কি-না। সাম্প্রতিককালে নজরে আসা তার কিছু ছবি দেখে মনে হচ্ছে, তার শরীরের মেদ কমেছে এবং তিনি আগের চেয়ে কিছুটা স্লিম হয়েছেন।

কিম জং উনের ভারী শরীর নিয়ে বিশ্বের নানা জনের কৌতূহলের শেষ নেই। বয়স অনুপাতে তাকে দেখতে বেঢপই দেখায় বলতে গেলে। তবে এ ছবিগুলোতে তার ভারী শরীর কিছুটা হালকা হয়েছে বলেই মনে হয়। শনিবার তার ওই ছবিগুলো জনসমক্ষে আসে।

দক্ষিণ কোরিয়ান সংবাদ সংস্থা ইওনহ্যাপ বলেছে, কিমের ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে তিনি আগের ওজন কিছুটা হলেও হারিয়েছেন।

গত সপ্তাহে দলের পলিটব্যুরো মিটিংয়ে যোগ দিয়ে এক মাসের মধ্যে তিনি জনসমক্ষে এসেছেন। সে সময় তোলা তার ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে এনকে নিউজ বলেছে, মনে হচ্ছে কিম বেশ ওজন হারিয়েছেন কিংবা কমিয়েছেন।

মঙ্গলবার সিউলভিত্তিক একটি ওয়েবসাইটে কিমের বড় করে একটা ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ৩৭ বছর বয়সী কিমের হাতের ১২ হাজার ডলার মূল্যের ঘড়িটির ফিতা যেন আগের চেয়ে টাইট করেই বাঁধা হয়েছে।

২০২০ সালের নভেম্বরে তোলা ছবির সঙ্গে চলতি বছরের মার্চ মাসে তোলা ছবি মিলিয়ে দেখা গেছে, আগের ছবির তুলনায় তার বর্তমান ছবিতেই ঘড়িবাঁধা হাতটা কিছু শীর্ণ।

কিম জং উন একজন চেইন স্মোকার। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তার বাবা কিম জং ইল হৃদরোগে মারা গেছেন বলে মনে করা হয়। স্থুলতা, অবিরাম ধূমপান এবং অনিয়মী জীবনযাপনের কারণে কিমকেও নানা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝামেলা পোহাতে হয়।

গতবছর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা বলেছিল, ২০১১ সালে কিম যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন থেকে প্রতিবছর ৬-৭ কেজি ওজন বাড়তে বাড়তে তার ওজন দাঁড়ায় ২২ স্টোন; ১৪০ কেজিতে।

কিমের ওজন হ্রাস পাওয়ার কারণ শারীরিক অসুস্থতা, না-কি ওজন কমানোর ব্যাপারে তার নিজের চেষ্টা, সেটা পরিষ্কার করে বলা হয়নি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মন্তব্য করুন