হ্যামার থ্রোয়ার ছিলেন। সেখান থেকে কুখ্যাত গ্যাংস্টার হয়ে উঠেছিলেন কলকাতার নিউটাউনে শাপুরজির আবাসনে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত জয়পাল সিংহ ভুল্লার। মঙ্গলবার দুপুরের এ ঘটনায় আরও একজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। তার নাম যশপ্রীত সিংহ।

পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় সরকারি স্পোর্টস ট্রেনিং সেন্টার স্পিড ফান্ড অ্যাকাডেমির প্রতিভাবান ছাত্র ছিলেন জয়পাল। ওই একাডেমিতেই জয়পালের পরিচয় হয় আরও এক খেলোয়াড় হ্যাপির সঙ্গে। হ্যাপি অল্প সময়ের জন্য অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এখান থেকেই তাদের ঘনিষ্ঠতা শুরু। এখান থেকেই প্রতিভাবান হ্যামার থ্রোয়ারের কুখ্যাত গ্যাংস্টার হওয়ার সফর শুরু। খবর আনন্দবাজারের

২০০৪ সালের জুলাইয়ে জয়পাল এবং হ্যাপি দু’জনে মিলে লুধিয়ানার এক সিনেমা হলের মালিকের সাত বছরের ছেলে চিরাগকে অপহরণ করে। এ ঘটনার মধ্যে দিয়েই অপরাধ জগতে হাত পাকানো শুরু জয়পালের। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার হন জয়পাল। জেলে থাকাকালীন তার অপরাধ জগতের পরিসরটা আরও বাড়িয়ে ফেলেন। সেখানে কুখ্যাত গ্যাংস্টারদের সঙ্গে পরিচয় হয় তার।

এখানে জয়পালের পরিচয় হয় রাজীব ওরফে রাজার সঙ্গে। ২০০৬-এ একটি গহনার দোকানে ডাকাতি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রাজা। জয়পাল এবং রাজা দু’জনে আরও এক কুখ্যাত গ্যাংস্টার শেরা খুব্বানের সঙ্গে মিলে একটি দল তৈরি করেন।

এরপর তারা একসঙ্গে হোসিয়ারপুরে একটি বন্দুক কারখানা লুট করেন। পঞ্চকুল্লা এবং মোহালির কয়েকটি ব্যাংকে ডাকাতি করেন। এমনকি হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াত করা গাড়িগুলোতেও লুটপাট চালাতে শুরু করে এ দলটি।

২০০৯ সালের জুলাইয়ে জয়পাল এবং তার কয়েকজন সঙ্গী চণ্ডীগড় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। বিভিন্ন মামলার জন্য তাদের পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং দিল্লির ২৭টি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বেশির ভাগ মামলাতেই প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন জয়পাল এবং সঙ্গীরা।

মন্তব্য করুন