পাকিস্তানে গাধার সংখ্যা আরও বেড়েছে। গতবছর দেশটিতে গাধার সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ। চলতি বছর এ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৫৬ লাখে। শুধু গাধা নয়, দেশটিতে মহিষ, ঘোড়া, ছাগল, ভেড়া, উট, খচ্চরসহ অন্যান্য পশুর সংখ্যাও বেড়েছে।

পাকিস্তান নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে প্রতিবছর বিদেশেও রপ্তানি করে গাধা। পাকিস্তান থেকে প্রধান গাধা আমদানিকারক দেশ চীন। চীনে গাধার চামড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণেই তারা পাকিস্তান থেকে গাধা কিনে। এদিকে গাধা রপ্তানি করে পাকিস্তানও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের

গাধার সংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তান বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে চীন। এরপরও চীন গাধা আমদানি করে। কারণ গাধার চামড়া থেকে তৈরি জেলটিনের ঔষধি গুণ রয়েছে তাদের কাছে। এটি রক্তের কাজ বৃদ্ধি করতে ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। চীনের প্রচুর সংখ্যক মানুষ মনে করে, গাধার চামড়া থেকে তৈরি ওষুধ সর্দি এবং বার্ধক্য রোধে বিশেষ কার্যকর।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০১৯-২০ এর তুলনায় ২০২০-২১ সালে পাকিস্তানে পশুর সংখ্যা ১৯ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্তব্য করুন